গল্প জীবন সৌম্য ব্যানার্জি শীত ২০১৭

সৌম্য ব্যানার্জীর আগের গল্পঃ সময়ের ওপার থেকে

“বোনজোরনো সিনিওরে, কোসা পোসসু ফারে পের লেই?”

“বোন জোর নাকে বয়, বাট আই নো অনলি দিস মাচ অফ ইটালিয়ান। আই অ্যাম নীরদ মুখার্জী, ফ্রম ইন্ডিয়া।”

“সরি স্যার, লেট মি প্লিজ অ্যালাও টু চেক দ্য রেজিস্টার…”

রিসেপশনিস্ট রেজিস্টার চেক করে নির্দিষ্ট রুমের চাবিটা প্রফেসর মুখার্জীকে দেওয়ার সাথে সাথে একটা মাঝারি সাইজের প্যাকেটও এগিয়ে দিলেন ওঁর দিকে। কেউ একজন নাকি এটা ওঁকে দিতে বলে গেছে। প্রবল উত্তেজনায় কাঁপতে থাকা নিজের হাতটাকে অনেক চেষ্টায় নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখলেন নীরদ মুখার্জী। নিজেকে স্বাভাবিক রাখার অভিনয় করতে করতেই নিজের রুমে পৌঁছে দরজাটা বন্ধ করে দিলেন।

বিখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর নীরদ মুখার্জী বেশ কিছুদিন ধরে নিখোঁজ। ইতালিতে একটি বিজ্ঞান-সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। নির্দিষ্ট হোটেলে চেক ইন করেন, রুমে যান। তারপর হঠাৎ করেই তাঁর আর কোনও খোঁজ নেই। মানুষটা পুরো কর্পূরের মতো উবে গেছে। টাকা পয়সা, জামা, জুতো সব ঠিকই আছে কিন্তু মানুষটাই নেই। খুব ক’দিন হইচই হল। পুলিশ অনেক তদন্তের পরে এই সিদ্ধান্ত নিল যে ওঁকে নিশ্চিতভাবেই কেউ কিডন্যাপ করেছে।

কিডন্যাপাররা কিন্তু কোনও মুক্তিপণ দাবি করল না। কারুর কাছে কোনও ফোন আসেনি। তাহলে কি কোনও জঙ্গিগোষ্ঠী? তাই হবে।

প্রফেসর মুখার্জী অবিবাহিত ছিলেন। ওঁর খোঁজ নেওয়ার মতো কোনও আত্মীয়ও না থাকায় ব্যাপারটা ধীরে ধীরে সবার স্মৃতির বাইরে চলে গেল। না, সবাই নয়। অচিন্ত্য, প্রফেসর মুখার্জীর ছাত্র এবং সহকারী অচিন্ত্য ভুলতে পারেনি তার স্যারের হারিয়ে যাওয়া। সবচেয়ে অদ্ভুত, স্যারের অন্য কোনও কিছু খোয়া না গেলেও স্যারের ডায়েরিটা খুঁজে পাওয়া যায়নি। নাহ্‌, পুলিশ তা নিয়ে খুব একটা মাথাও ঘামায়নি। কিন্তু অচিন্ত্যর মনে একটা খটকা থেকেই গেছে।

আসলে খটকার কারণটা অচিন্ত্যর নিজের কাছেই পরিষ্কার নয়। শেষ যেদিন অচিন্ত্যর সাথে প্রফেসর মুখার্জীর কথোপকথন হয়, সেইদিন স্যার অচিন্ত্যকে হঠাৎই একটা অদ্ভুত প্রশ্ন করেন।

“অচিন্ত্য, তুমি ভাগ্যে বিশ্বাস কর? কিংবা ভগবানে?”

একজন ঘোষিত নাস্তিক প্রফেসরের মুখে এই প্রশ্ন শুনে একটু চমকেই গেছিল সে। একটু থতমত খেয়েই বলেছিল, “না স্যার, করি না। কিন্তু কেন?”

সরাসরি উত্তর না দিয়ে প্রফেসর মুখার্জী পালটা প্রশ্ন করেন, “জড় আর জীবের পার্থক্য কী?”

অচিন্ত্য এবার হেসে ফেলে, “স্যার, এটা তো আমার ক্লাস টুতে পড়া ভাইপোও বলতে পারবে।”

“হুম, তা পারবে। কিন্তু সত্যিই কি পারবে?” প্রফেসর মুখার্জীর গলায় একটা অদ্ভুত উদাস ছোঁয়া। যেন উনি গভীরভাবে কিছু ভাবছেন। কোনও একটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেয়েও যেন পুরো সন্তুষ্ট হতে পারছেন না। অচিন্ত্য তার স্যারের এই অবস্থাটা চেনে।

“স্যার, একটু খুলে বলবেন, আপনি কী ভাবছেন?”

“ধর অচিন্ত্য, তুমি কোনও এক নতুন গ্রহে গেলে। সেখানে তোমায় কেউ চিনিয়ে দেওয়ার নেই যে কোনটা জীব, কোনটা জড়। নানা আকৃতির নানান বস্তু সেখানে রয়েছে। কোনওটা বাড়ছে, কোনওটা ছুটছে, কোনওটা এক জায়গাতেই রয়ে গেছে। তুমি কী করে সিদ্ধান্ত নেবে কোনটা জীব আর কোনটাই বা জড়?”

“কেন? এ তো খুব সোজা। যার বৃদ্ধি আছে, যে উত্তেজনায় সাড়া দেয়…”

“আহ্‌, অচিন্ত্য! তুমি কি তোমার ভাইপোর বই মুখস্ত করে এসে আমায় পড়া দিচ্ছ? আই ওয়ান্ট ওয়ান অফ দ্য মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট ফিচার্স অফ লাইফ।”

“স্যার, কিন্তু সেইরকম এক্সক্লুসিভ কিছু তো হয় না। জীবনের সংজ্ঞা নির্ধারণ তাহলে তো সহজ হয়ে যেত। তা তো নয়। তার জন্যই তো অনেকগুলো বৈশিষ্ট্যকে একসাথে নিয়ে আমরা জীবন বলে নাম দিই।”

“তোমার কথা আমি মানছি। কিন্তু আমি তোমার কাছ থেকে নির্দিষ্ট একটা বৈশিষ্ট্য শুনতে চাইছি। এমন কিছু একটা, যা ছাড়া জীব বলে ভাবাই যায় না। সেরকম কিছু মনে পড়ছে না?”

“ওহ্‌,  বুঝেছি, আপনি কি প্রজননের কথা বলতে চাইছেন?”

“ইয়েস, পাওয়ার টু রিজেনারেট, প্রজনন। এখন বল তো সেই জীবেদের মধ্যে কী করে বুঝবে কোনটা ইন্টেলিজেন্ট আর কোনটা নয়?”

“পাওয়ার টু চুজ? একাধিক অপশন থেকে সঠিকটা বেছে নেওয়ার ক্ষমতা।”

“ব্রিলিয়ান্ট! এক্সাক্টলি সো! বাট মে নট বি! তুমি ব্রিটিশ অঙ্কবিদ জন হর্টন কনওয়্যে, এঁর নাম শুনেছ?”

“এই রে! না মানে, আমি অংক ব্যাপারটা এড়িয়ে চলতেই পছন্দ করি।”

“উফ্! তাতে কী হয়েছে? আমি তোমায় অংক করাব না, চিন্তা নেই। গল্পটা শোন। ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ অঙ্কবিদ জন হর্টন কনওয়্যে একটি মজার খেলা উদ্ভাবন করেন। খেলাটা গেম অফ লাইফ বা শুধুই লাইফ বলে পরিচিত। উনি গবেষণা করছিলেন এমন কোনও যন্ত্র বানানো যায় কি না যা নিজেই নিজেকে কপি করতে পারবে।

“প্রজনন!”

“হুম, কিন্তু তাত্ত্বিকভাবে। সেই নিয়ে ভাবতে গিয়েই উনি এই জিরো প্লেয়ার গেমটি আবিষ্কার করেন। জিরো প্লেয়ার গেম। কারণ, খেলা শুরুর আগে শুধু কিছু শর্ত বা লজিক সেট করে দিতে হয়, তারপর খেলোয়াড়ের আর কিছুই করার থাকে না। বাকিটা খেলার আপন নিয়মেই ঘটে চলে। ওই খেলাতে ধরে নেওয়া হয় একটা অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত ছককাটা ঘর আছে। ঠিক যেন একটা অসীম মাপের গ্রাফ পেপার। ধরে নাও, সেই গ্রাফ পেপারে আবার দাবার ছকের মতো সাদা কালো ছক করা। সাদা আর কালো এখানে জীবন আর মৃত্যুর প্রতীক। দাবার ছকের সাথে এর আরেকটা পার্থক্য হল এই যে, ওই ছকগুলো দাবার বোর্ডের মতো পাশাপাশি একদম নিয়ম মেনে নেই, বরং একটু অবিন্যস্তভাবে ছড়িয়ে আছে। শুধু তাই নয়, এই ঘরগুলোর সাদাটা কালো এবং কালোটা সাদায় পরিণত হওয়ার ক্ষমতা ধরে। একদম প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা যাক পুরো বোর্ডটাই শুধুমাত্র কালো ছকে ভর্তি, কয়েকটা সাদা ঘর এদিক ওদিক ছড়িয়ে থাকা বাদ রেখে। এবার সেই গ্রাফ পেপারের কোন ঘরটা কালো থাকবে আর কোন ঘরটা সাদা তার জন্য সেই গ্রাফ পেপারের চৌখুপিগুলোকে কিছু নির্দিষ্ট নিয়মের বাঁধনে বেঁধে দেওয়া হল। সেক্ষেত্রে ব্যাপারটা এইরকম হতে থাকবে যে কখনও কিছু সাদা ঘর কালো হবে আবার কখনও কিছু কালো ঘর সাদা। এর ফলে স্বাভাবিক নিয়মেই কিছু জায়গায় সাদা বা কালো ঘরের জটলা তৈরি হবে এবং এদের এই সাদা কালো রঙ বদলানোর খেলায় এগুলোকে আপাতভাবে জীবন্ত বলে মনে হবে। শুধু তাই নয়, কিছু কিছু প্যাটার্নের জটলা থেকে আবার নতুন করে একই ধরনের প্যাটার্ন তৈরি হতে থাকবে।”

“ঠিক যেন প্রজনন!”

“এক্স্যাক্টলি সো। এইবার ভাবো, যদি কেউ এই খেলার প্রাথমিকভাবে তৈরি নিয়মগুলো আগাম না জানে তবে তার কি মনে হতে পারে না যে এটা একটা টু ডাইমেনশনাল জীবনচক্র?”

“হুম, তা পারে।”

“আর যদি উল্টোটা হয়?”

“মানে?”

“মানে আমাদের জীবন যদি ত্রিমাত্রিক ক্ষেত্রের একটা গেম অফ লাইফ হয়ে থাকে! আর এই ক্ষেত্রের আসল নিয়মগুলো আমাদের জানা নেই বলেই আমরা জীবন জীবন বলে লাফাচ্ছি!”

সেইদিন এইটুকু বলেই প্রফেসর মুখার্জী চুপ করে যান। কী যেন একটা মনে পড়ে গেছে ভাব করে অচিন্ত্যর সামনে থেকে উঠে গিয়ে নিজের ডায়েরিটায় লিখতে শুরু করেন। এই ডায়েরিটা স্যারের প্রাণ ছিল। স্যারের রোজনামচার ডায়েরি। কাউকে কোনওদিন দেখতে দেননি। অবশ্য অন্যের ডায়েরি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করা যে শিষ্টাচারবিরোধী সেটাও ঠিক। তবুও স্যারের সেই সর্বক্ষণের সঙ্গী ডায়েরিটার কোনও খোঁজ না থাকায় অচিন্ত্যর মাঝে মাঝে মনে হয়, তবে কি স্যার নিজেই কোথাও আত্মগোপন করে আছেন?

স্যার নেই, স্যারের কোনও আত্মীয়স্বজনও নেই। আত্মভোলা, জ্ঞানপিপাসু এই বিজ্ঞানীটির ব্যক্তিজীবনে কিছু থিসিস পেপার আর নিজের ছাত্ররা ছাড়া আর কোনওকিছুর মনে হয় জায়গাও ছিল না। কিন্তু সেই ছাত্ররাও আজ তাদের নিজের জীবনের প্রফেশনাল আর পার্সোনাল লাইফের ঘূর্ণিপাকে ব্যস্ত। একমাত্র অচিন্ত্যই বুঝি ব্যতিক্রম। তার মনে হয়, আজই বুঝি স্যার ফিরে আসবেন।

প্রায় মাস ছয়েক বাদে হঠাৎ ও একদিন মেল চেক করতে গিয়ে দেখল প্রফেসর মুখার্জীর একটা মেল। ও তাড়াতাড়ি মেলটা খুলে পড়তে শুরু করল।

‘অচিন্ত্য, এই মেলটা তুমি পড়ছ মানে ইহজগতে আমি আর নেই। খুব সম্ভব আর কোথাওই আমার অস্তিত্ব নেই। এই মেলটার সাথে যে পিডিএফ অ্যাটাচমেন্টটা আছে সেটা পড়বে কি পড়বে না তোমার সিদ্ধান্ত। এই পিডিএফটা হল আমার ডায়েরির স্ক্যানড কপি। আমার ডায়েরিটা আমি নষ্ট করে দিতে বাধ্য হলাম। এতে যা লেখা আছে তা কোনও অবিমৃষ্যকারীর হাতে পড়লে মানবসভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। কিন্তু তবুও পুরোপুরি নষ্ট করে দেওয়ার আগে স্ক্যান করে তোমায় মেল করে রাখলাম। তবে মেলটা প্রোগ্রাম করা থাকল আজ থেকে ছয়মাস বাদে তোমার কাছে সেন্ড হওয়ার জন্য। ডায়েরিটার লেখা বুঝতে হলে তোমায় সামান্য কিছু কথা জেনে নিতে হবে। সেটুকুই বলে রাখি।

‘প্রথমেই বলি, আমি সারাজীবনে যত ছাত্র পড়িয়েছি তাদের মধ্যে তুমিই আমার সেরা ছাত্র। সবদিক দিয়ে। তাই তোমাকেই এটা পাঠালাম।

‘এখন আসল কথা। কিছুদিন আগেই তোমায় গেম অফ লাইফ সম্পর্কে বলেছিলাম। আমার ডায়েরি বুঝতে হলে সেটা নিয়েই তোমায় পড়াশুনো করতে হবে। তুমি পারবে। আসলে জীবন নিয়ে গবেষণা করতে করতে আজ একটা অদ্ভুত সিদ্ধান্তে এসে পৌঁছেছি। তার শেষ এক্সপেরিমেন্ট করতে চলেছি আজকে। ইতালির একটা হোটেলে বসে এখানকার একটা কোম্পানিতে তৈরি একটি যন্ত্রাংশ ছাড়া আমার এক্সপেরিমেন্ট সম্ভব হত না। সমস্ত ডিটেইল লেখা থাকল আমার ডায়েরিতে।

‘এই প্রকৃতি আসলে একটা ভার্চুয়াল অবস্থা। ধরে নিতে পার, ঠিক যেন কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম (প্রাচীন দার্শনিক ঋষিরা কি একেই ‘মায়া’ বলতেন? জানি না।) আর আমি, তুমি আমরা সবাই আদতে এক একটা প্রোগ্রাম। আর এই প্রোগ্রামের কোড ভেদ করতে পারলেই আমরা বুঝতে পারব জীবনের প্রকৃত রহস্য। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে কোনও প্রোগ্রাম নিজেই যদি এই কোড ভেদ করে ফেলতে পারে সাথে সাথে এই জগতের অপারেটিং সিস্টেম আনস্টেবল হয়ে যাবে। ঠিক যেরকম কম্পিউটারে ভাইরাস ঢুকলে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। প্রত্যেক অপারেটিং সিস্টেমের নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়ার যেমন ভাইরাসগুলোকে ডিলিট করে, সেইরকম এই প্রকৃতি নামক অপারেটিং সিস্টেমেও নিশ্চিত কোনও অ্যান্টিভাইরাস থাকবে। থাকতেই হবে। ফলে সে তার ডিফল্ট প্রসেসেই সেই বিগড়ে যাওয়া প্রোগ্রামকে মানে এক্ষেত্রে হয়তো আমার ত্রিমাত্রিক অস্তিত্বকে ডিলিট করে দেবে। এই প্রোগ্রামের নিয়ন্ত্রক নিশ্চিতভাবেই আমাদের চিন্তা-জগতের বাইরের, হয়তো বা আমাদের এই ত্রিমাত্রিক জগতের বাইরের অন্য কোনও মাত্রার। জানি না। আমার এই এক্সপেরিমেন্ট সেই জগতে পৌঁছানোর চেষ্টাতেই…

‘হাতে সময় বেশি নেই। এর থেকে বেশি জানতে হলে আমার ডায়েরিটা পড়ে নিও। কিন্তু সাবধান। আমি জানি না আমার পরিণতি কী হতে চলেছে। আমার এই এক্সপেরিমেন্টের রাস্তায় কতটা বিপদ আসতে পারে তা আমার অজানা। সেক্ষেত্রে তোমার পরিণতিও আমার মতোই হতে পারে। এখন তোমার সিদ্ধান্ত, তুমি তোমার বর্তমান জীবন বাছবে না সত্য!

‘ভাল থেকো।’

মেলটা পড়া শেষ করে বেশ কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে বসে থাকল অচিন্ত্য। এটা স্যারেরই মেল তো? নাকি কেউ মজা করছে ওর সাথে! চিরকাল নাস্তিক মানুষটা আজ এইরকম নিয়তিবাদীর মতো কথা বলছেন? নাকি সত্যিই নিয়তি বলে কিছু আছে? আমরা আসলে ভাগ্যের হাতের পুতুল মাত্র। কোনটা ঠিক?

আবার নিয়তির হাতে বাঁধা প্রোগ্রামই যদি আমরা হই তবে প্রফেসর মুখার্জী নামক প্রোগ্রাম নিজের প্রোগ্রামিংকে ছাপিয়ে গেলেন কোন শক্তিতে? একটু দোনামনা করে মেলের অ্যাটাচমেন্টটা ওপেন করার জন্য ক্লিক করল অচিন্ত্য।

* * *

চতুর্থ মাত্রায় একটা যন্ত্র, যা আমাদের হিসেবে কম্পিউটার গোত্রীয়, তাতে বেশ কিছ হরফ ফুটে উঠল। এই হরফগুলোর খুব কাছাকাছি  অনুবাদ হবে –

‘আরেকটি প্রোগ্রামেও ত্রুটি দেখা দিতে চলেছে। সেটিকে মুছে দিতে ‘হ্যাঁ’ টিপুন, প্রোগ্রাম চালিয়ে যেতে ‘না’ টিপুন…’

জয়ঢাকের সমস্ত গল্পের লাইব্রেরি এই লিংকে

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s