টাইম মেশিনঃ

এই লেখার সব পর্ব একত্রেtime07

হাত বোমা নিয়ে গুহার মুখে এগিয়ে গেল কয়েকজন বৃটিশ সোলজার। এক, দুই, তিনটে হাত বোমার ফিউজ খুলে বোমাগুলি ফেলে দিলো গুহার ভিতর । গুড়ুম গুম গুম শব্দে হাত বোমাগুলি ফেটে  গেল গুহার মধ্যে, আর পায়ের তলায় মাটি কেঁপে উঠলো থর থর করে। তারপর বেয়নেট চড়ানো রাইফেল নিয়ে বৃটিশ সোলজাররা, আর কক করা রিভলবার হাতে বৃটিশ অফিসাররা ঢুকে পড়লেন গুহার ভিতরে, জীবন্ত বা মৃত ফকিরসাহেবকে টেনে বার করার জন্যে।

কিন্তু কোথায় ফকিরসাহেব? গুহার ভিতর এক জায়গায় কিছু কাঠ জ্বলছে তখনও, আর ফকির সাহেবের নিত্যব্যবহার্য কয়েকটি সামান্য জিনিস সেখানে সাক্ষ্য দিচ্ছে যে তিনি কিছুক্ষণ আগেও সেখানে ছিলেন, কিন্তু এই মুহূর্তে ফকিরসাহেব একেবারে লা পতা। ফকিরসাহেবের হাতে বৃটিশ ইন্টেলিজেন্সের লজ্জাজনক পরাজয়।

********

ওয়াজিরিস্থান অপারেশন শেষ হয়ে গেছে প্রায় তিন বছর হল। ফকিরসাহেবের ওয়াজিরি লশকর ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে, তাই থাল স্পিনওয়াম রাস্তা আর তত ভয়াবহ ছিল না। নদীর এপারে গাড়িটা ফ্রন্টিয়ার কন্সটিবিউলারির পোস্টের নিচে রেখে আমি ইব্রাহিম খান আর নজিব গুলকে সঙ্গে নিয়ে কুরাম নদীর ওপর সেতু পার হয়ে হেঁটে এগিয়ে চললাম স্পিনওয়ামের দিকে।

সেতু পার হয়েই বেশ খানিকটা চড়াই ভেঙে একটি ছোট পাহাড়ের মাথায় উঠলাম।  এই পাহাড়টি ফ্রন্টিয়ার কন্সটিবিউলারির পিকেট পোস্টের ঠিক বিপরীত দিকে। সেখান থেকে প্রায় তিনশ গজ নেমে গিয়ে  রাস্তাটি মাইলখানেক সমতল জমির ওপর দিয়ে গেছে। রাস্তার ডানদিক ঘেঁসে ছোট বড় গাছপালাবিহীন শুকনো পাহাড়ের সারি। প্রায় পাঁচশ গজ দূরে দুটো ছোট পাহাড়ের মাঝখানে হাজারখানেক গজ জমি সবুজ ঘাসে ভর্তি। চারদিকে বাদামি রঙের পাহাড়ের মাঝখানে এই সবুজ ঘাসে ভর্তি জায়গাটি দেখে মনে হল যেন একটি বড় তামার পদকের বুকে একখানি দামি পান্না বসানো। একটি পাহাড়ি ঝর্ণার জল এসে এই সবুজ জায়গাটির ওপর ছড়িয়ে পড়েছে।

জনবিহীন দেশে এ রকম দুর্লভ ঝর্না থাকলে লোকে সে জমিতে চাষ আবাদ করে সেখানে সোনা ফলায়, কিন্তু এ জমিতে কোনও চাষ আবাদ না দেখে ইব্রাহিমকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলাম। ইব্রাহিমের উত্তরে জানতে পারলাম যে আগে এখানে চাষ করা হত, কিন্তু বছর দুই থেকে চাষ করা বন্ধ। কারণ, জমিটার মালিকানা নিয়ে কাবুল খেল আর কুরাম খণ্ড জাতির মধ্যে গোলমাল বেধেছে। দুই জাতির  প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেও কোন সমাধান হয়নি। উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের ইংরাজ গভর্নর সাহেবের মধ্যস্থতাতেও কোন নিষ্পত্তি হয় নি এই কলহের ।

বেলা পড়ে আসছিল। কাজেই আর স্পিনওয়ামের দিকে বেশি দূর না এগিয়ে ফিরলাম। আপাতদৃষ্টিতে শান্ত ওয়াজিরিস্তান শুধু ছাই চাপা আগুনের মত। বলা যায় না কখন, কোন সময় , কোনখানে সে আগুন ফেটে বেরোয়!

ফেরার পথে হাঁটতে হাঁটতে ভাবছিলাম যে পান্নার মত সবুজ জমির টুকরোটা হয়ত একদিন কাবুল-খেল আর কুরাম খণ্ড জাতির লোকেদের রক্তে রুবির মত রাঙা হয়ে উঠবে। এইসব ভাবতে ভাবতে কুরাম নদীর সেতুর ওপর এসে পড়েছি, সেই সময় পিছনের একটি পাহাড় থেকে শব্দ এলো কড়াক আর সঙ্গে সঙ্গেই সোঁ করে রাইফেলের একটি গুলি মাথার ওপর দিয়ে চলে গেল। তৎক্ষণাৎ সেতুর উপর শুয়ে পড়লাম আমরা। এলোপাথাড়ি গুলি এসে পড়ছিল সেতুর ওপর। প্রাণ বাঁচাবার চেষ্টায় বুকে হেঁটে সেতুর ওপর দিয়ে এগোতে লাগলাম ফ্রন্টিয়ার কন্সিবিউলারি পোস্টের দিকে ।

time08সামনে দেখা যাচ্ছিল কনস্টিবিউলারি পিকেটের ওপর রাইফেল আর মেশিনগান নিয়ে বসে দেখছে সিপাইরা কিন্তু তাদের পাল্টা গুলি চালাবার কোনও লক্ষণ দেখলাম না। তাদের নিষ্ক্রিয়তা দেখে রাগ হল। তবে অদৃষ্ট ভাল ছিল,  জীবন্ত  এবং অক্ষত অবস্থায় সেতুর এপারে পিকেটে এসে পৌঁছলাম। ওয়াজিরিদের রাইফেল ততক্ষণে নিস্তব্ধ হয়ে গেছে। ওরা বোধহয় মনে করল যে শুধু শুধু রাইফেলের গুলি খরচ করে লাভ কী!

কনস্টিবিউলারির সেপাইদের ওপর তখনও আমার রাগটা পড়েনি। জিজ্ঞাসা করলাম তাদের এতক্ষণ নিষ্ক্রিয় থাকবার কারণটা কী?

পিকেট এর হাবিলদারের  আমার অভিযোগের উত্তর ছিল, “আপনারা সেতুর ওপর বুকে হাঁটছিলেন, আমরা গুলি চালালে এক আধটা গুলি ফসকে আপনাদের লাগলে আপনারা মারা যেতেন।”

“কিন্তু আমরা তো ওয়াজিরিদের গুলিতেও মারা যেতে পারতাম?”

“তা বেশক পারতেন, কিন্তু সে ক্ষেত্রে আমাকে বেশি জবাবদিহি করতে হত না। আমাদের নিয়ম যে লাইন অফ ফায়ার এর মধ্যে যদি নিজেদের লোক থাকে, তবে গুলি চালানো উচিত নয়। আমি ঠিক নিয়ম মোতাবেক কাজই করেছি গুলি না চালিয়ে।”

সে রাতটা কাটল টুকরো টুকরো উদ্ভট স্বপ্ন দেখে – কখনও ওয়াজিরিদের রাইফেলের গুলি আমাকে তাড়া করে চলেছে, আবার কখন থাল স্পিনওয়াম রাস্তায় সেই সুন্দর সবুজ ঘাসে ভরা জমির পাশের পাহাড়ি ঝর্না থেকে ঝলকে ঝলকে রক্ত বেরোচ্ছে জলের পরিবর্তে।

পরে একদিন ঘটনাটি বন্ধু রশীদ খানকে বলেছিলাম। শুনে খান সাহেব বললেন, “আপনি কি মনে করেন যে গভর্নমেন্টের অফিসগুলোতেই শুধু রেড টেপের বাঁধন? উটের নাকে নকেল বাঁধা থাকলে উট যেমন নকেলের টানের দিকেই শুধু চলে, একটুও এদিক ওদিক যায় না, তেমনই বৃটিশ গভর্নমেন্ট এর চাকরি যারা করে, তারা লাল ফিতার লাইনের একচুলও এদিক ওদিক যেতে নারাজ।

“শুনুন তবে আপনাকে একটি ঘটনার গল্প বলি। একদিন মিলিশিয়ার একটি পিকেট আক্রমণ করেছে উপজাতি লশকর। পিকেটের সেপাইরা যখন দেখল যে তারা উপজাতি লশকরের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারছে না, তখন হিলিওগ্রাফে সিগনাল করে কাছাকাছি একটি মিলিশিয়া বাহিনীর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করল। মিলিশিয়া বাহিনীর সেপাইরাও উপজাতীয় পাখতুন বাচ্চা, যুদ্ধের নাম শুনে লাফিয়ে ওঠে। তাদের সুবেদারের হুকুম ‘ফল-ইন’ শোনামাত্রই সব রাইফেল নিয়ে ছুটে এসে লাইন দিয়ে দাঁড়ালো, কিন্তু সরকারি কায়দা অনুযায়ী হুড়মুড় করে এলোমেলোভাবে যুদ্ধ করতে যাওয়া যায় না।

“সুবেদার হুকুম দিলো, ‘র রাইট দ্রেশ’। লাইনটি নিখুঁতভাবে সাজানো হওয়ার পর হুকুম হল ‘নাম্বার’। ডান দিক থেকে সেপাইরা আউড়ে যেতে লাগলো,  ইউ, দোয়া, দ্রে, ই্‌উ, দোয়া, দ্রে। যাঃ সর্বনাশ হয়ে গেল ! একটি সেপাই ‘ ইউ’ এর বদলে ভুলে ‘দ্রে’ বলে ফেলল। আবার গোড়া থেকে আরম্ভ করা হল নাম্বার, ‘ইউ,দোয়া, দ্রে; ইউ,দোয়া,দ্রে’ । এবারেও একটি সেপাই ভুল করে ইউ এর বদলে দ্রে বলে ফেলল। সুবেদার সাহেব চটে গিয়ে বললেন, ‘তা গলত্ শো কনা সড়িয়া’। আবার গোড়া থেকে নাম্বারিং আরম্ভ।

“এরা কায়দাদুরস্ত ভাবে যতক্ষণে পিকেট পোস্টে গিয়ে পৌঁছল ততক্ষণে আক্রমণকারী দল সেই পিকেট পোস্টটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে চলে গেছে বহুদূর। বৃটিশ সাম্রাজ্যে নিয়মের ব্যতিক্রম হবার জো টি নেই।

*******

কোথায় যেন পড়েছিলাম,কে একজন বলেছেন,“অগর মুঝসে কোই পুছে কি জিন্দগি ক্যা হৈ তো মৈ কহুঙ্গা,কুছ জীনে কা ফসানা,কুছ মরণে কা ইন্তেজার।”

জীবনটাকে তিনি বলতে চেয়েছেন,কিছুটা পিছনে ফেলে আসা দিনের কাহিনী, আর কিছুটা মৃত্যুর প্রতীক্ষা। উত্তরপশ্চিম সীমান্তের উপজাতি পাখতুন,সারা জীবনটা মৃত্যুর প্রতীক্ষাই করে চলে। পিছনে ফেলে আসা জীবনের কাহিনীর প্রতি তার ভ্রুক্ষেপ নেই। কী পাইনি তার হিসাব মিলানো সম্বন্ধে নিতান্তই উদাসীন,তাই তার কোনও সুসংবদ্ধ ইতিহাস নাই। 

ঐতিহাসিকরা পাখতুন আর তাদের দেশ সম্বন্ধে দু এক কলম লিখেই তাঁদের কর্তব্য শেষ করেছেন। আর ইংরাজ আমলে কয়েকজন সামরিক অফিসার পাখতুনদের সঙ্গে তাঁদের যুদ্ধের বিবরণ কিছু কিছু লিপিবদ্ধ করে গেছেন। তাঁদের বর্ণনার মধ্যেও বেশির ভাগ তাঁরা নিজেদের বাহাদুরিই দেখাতে চেয়েছেন। আর পাখতুনদের এমন একখানি ছবি এঁকে পৃথিবীর সামনে তুলে ধরেছেন যা দেখলে তাদের সম্বন্ধে এক অতি হীন ধারণা জন্মায় সভ্যজগতের মনে। কোথাও কোথাও হয়তো অনিচ্ছাসত্ত্বেও তাদের সদগুণগুলির ওপর কিছুটা আলোকপাত হয়েছে,কিন্তু সেটা ব্যতিক্রমমাত্র। বৃটিশ গভর্নমেন্টের কাছে এরা শুধু বর্বর খুনি,কারণ বিশাল বৃটিশ সাম্রাজ্যের বিপুল শক্তির কাছে তাদের বিজিত জাতিরা সকলেই একে একে নতিস্বীকার করেছে,কিন্তু পাখতুন বৃটিশ সাম্রাজ্যের শেষ দিন অবধি তাদের সঙ্গে যুদ্ধই করে গেছে, নতিস্বীকার করেনি।

এল এ স্টার তাঁর Frontier folks of the Afgan border & beyond গ্রন্থে পাখতুনিস্তান সম্বন্ধে লিখেছেন,  “It is an abode of outlaws, for the unwritten law is ,might is right ,and the pride of the people that they have never known a master and never will.”

পাখতুনদের সঙ্গে ইংরাজদের সম্যক পরিচয় হল প্রথম অ্যাংলো -আফগান যুদ্ধর সময় ১৮৩৮-১৮৪২ সালে। খুব ঘটা আর জাঁকজমক করে এক বিরাট বৃটিশ বাহিনী রওনা হল পাঞ্জাবের ফিরোজপুর থেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল সর জন কিন এর সেনাপতিত্বে। সহকারী সেনাপতিগণ ছিলেন মেজর জেনারেল কটন,সেল এবং উইলসায়ার। শিখণ্ডী খাড়া করলেন এঁরা রাজ্যহারা শাহ্‌ সুজাকে। শাহ সুজাকে পুরোভাগে রেখে চলল সেই বিরাট বাহিনী মেদিনী কাঁপিয়ে,কোয়েটা হয়ে কান্দাহার গাজনি কাবুল জালালাবাদ। এই যুদ্ধের ইতিহাস সুবিদিত, তাই তার বিবরণের পুনরুল্লেখ নিষ্প্রয়োজন।

আফগানিস্তানে ব্রিটিশের অবস্থা যখন সঙ্গিন হয়ে উঠলো তখন,মেজর জেনারেল সেল তাঁর ব্রিগেড নিয়ে জালালাবাদ থেকে  পশ্চাদপসরণ করে পেশোয়ারের দিকে রওনা হলেন, কিন্তু সেখানে পৌঁছোতে পারলেন না। খাইবার পাসের মুখে আটকে গেলেন পাখতুন উপজাতির প্রচণ্ড আক্রমণে। পাখতুনদের ভাবটা যেন,খুব ঘটা করে তো তোমরা আফগানিস্তান জয় করতে গিয়েছিলে,ফিরে পালাবার পথে একটু আমাদের সঙ্গেও মুলাকাত করে যাও।

পাখতুনদের প্রচণ্ড আক্রমণের সামনে দাঁড়াতে না পেরে জেনারেল সেল তাঁর বাহিনী নিয়ে আবার ফিরলেন জালালাবাদের দিকে। এদিকে তাঁর ফৌজকে উদ্ধার করার উদ্দেশ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওয়াইল্ডকে এক সৈন্যবাহিনী সমেত পাঠানো হল পেশোয়ার থেকে,কিন্তু তিনি আলমসজিদ এর ওদিকে আর যেতে পারলেন না। পাখতুনরা  তাঁকেও নাজেহাল করে তাঁর সৈন্যবাহিনী সমেত তাড়িয়ে একেবারে পেশোয়ারে ফেরত পৌঁছে দিল। পরে অবশ্য জেনারেল পোলাক আর একটি বিরাট ফৌজ নিয়ে আফগানিস্তানে অবরুদ্ধ ব্রিটিশ বাহিনীকে উদ্ধার করেন, কিন্তু তাঁকেও পাখতুনদের সঙ্গে প্রচণ্ড যুদ্ধ করতে হয়েছিল খাইবার দিয়ে ফেরার পথে।

ক্রমশ

ছবি শিবশঙ্কর ভট্টাচার্য

Advertisements

5 Responses to টাইম মেশিনঃ

  1. Pingback: জয়ঢাক(নতুন) বর্ষা ২০১৫-সম্পূর্ণ সূচিপত্র | এসো পড়ি। মজা করি

  2. Sisir Biswas says:

    ইদানীং এই ধরণের লেখাই টানে বেশি। কিছু নতুন উপাদান পাওয়া যায়। শ্রদ্ধেয়া ল্বপ্নাদি এবং জয়ঢাক কর্তৃপক্ষকে অনেক ধন্যবাদ। পরের কিস্তির অপেক্ষায় রইলাম।

    Like

  3. Swapna lahiri says:

    সম্পাদক শ্রী দেবজ্যোতি োও শ্রী শিকশঙ্করকে আমার অসংখ্য ধন্যবাদ

    Like

  4. অপেক্ষায় থাকব পরের কিস্তির জন্য। স্বপ্না লাহিড়িকে ধন্যবাদ এমন একটি মূল্যবান লেখা সম্পাদনা করে আমাদের সামনে তুলে ধরার জন্য…

    Like

  5. Hossain Mahmud says:

    না, সৈয়দ মুজতবা আলী অন্য জিনিস। কিন্তু সমরেন্দ্র নাথ লাহিড়ী আরেক যে ছবি এঁকেছেন তাও চোখ ও মনকে ভীষণ টানল। নিঃসন্দেহে স্বাদে নতুন, অনবদ্য। বাংলা যুদ্ধ সাহিত্যে সর্বশেষ সংযোজন। জানি না, পরে পর্বগুলো পড়ার সুযোগ হবে কিনা। শ্রীমতী স্বপ্না লাহিড়ীকে শ্রদ্ধা ও ধন্যবাদ।

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

w

Connecting to %s