টাইম মেশিন

time07ইংরাজ আর রাশিয়ার সম্বন্ধ চিরকালই নেউল আর সাপের মত। ইংলন্ডেশ্বরের মুকুটের শ্রেষ্ঠ রত্ন ভারতবর্ষের ওপর রাশিয়ার জারের লোভ ছিল কিনা জানা নাই, কিন্তু তাদের ওপর বাটপাড়ি হয়ে যেতে পারে এই ভয়টা ব্রিটিশের মনে হওয়া খুবই স্বাভাবিক। ব্রিটিশ নৌবহরকে টপকে সমুদ্রপথ দিয়ে এসে কেউ যে ব্রিটিশের ঘাড়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে সে সম্ভাবনা তখন মোটেই ছিল না , কিন্তু শক্তিমান রুশ সম্রাটের পক্ষে স্থলপথে আফগানিস্তানের ভিতর দিয়ে ভারত আক্রমণ করা অসম্ভব ছিল না। সেইজন্য ব্রিটিশ সরকার আফগানিস্তানকে নিজেদের আয়ত্ত্বের মধ্যে রাখতে চেয়েছিলেন রাশিয়াকে ঠেকিয়ে রাখবার জন্য। কিন্তু আফগানিস্তানকে নিজেদের আয়ত্ত্বে রাখতে হলে উত্তরপশ্চিম সীমান্তবাসী পাখতুনদের দাবিয়ে রাখা যে অপরিহার্য সেটা ইংরাজ বুঝতে পারলেন প্রথম আ্যংলো-আফগান যুদ্ধের সময়। তাই তাঁরা গোটা উত্তর পশ্চিম সীমান্তে নিজেদের সামরিক ঘাঁটির জাল বিছিয়ে দেবার পরিকল্পনা করে ফেললেন তখনই। ব্রিটিশ সরকার যে সব ঘাঁটি গড়ে তুললেন, খাইবা্‌র, ওয়াজিরিস্তান , মালাকান্দ ও থাল সেগুলির মধ্যে অন্যতম। এই সব ঘাঁটিগুলিতে ব্রিটিশের বিউগল বেজে উঠল আর তার রেশ ছড়িয়ে পড়ল পাখতুনিস্তানের সমস্ত পাহাড় আর উপত্যকায়।

কিন্তু তাঁদের শাসনের গণ্ডি ঘাঁটিগুলির চার দেয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেল। ব্রিটিশ সরকার পাখতুনদের দিতে চাইলেন সুশাসন, পুলিশ, রুজি-রোজগারের ব্যবস্থা। কিন্তু বিনিময়ে যা চাইলেন, পাখতুনরা তা দিতে রাজি হল না। পাখতুন নিজের প্রাণ দিতে পারে অবহেলে, কিন্তু নিজের স্বাধীনতা সে কারুর হাতে সমর্পণ করতে রাজি নয়। আফগানিস্তানের সঙ্গে এদের সম্বন্ধ কৃষ্টি, ভাষা ও ভাবগত; এরা আফগান নৃপতিকে শ্রদ্ধা করে, সম্মান দেয় কিন্তু আফগানরাজের প্রত্যক্ষ শাসন এরা কোনও দিন মেনে নেয় নি। যখনই এদের স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করতে চেষ্টা করেছে, তখনই এরা রুখে দাঁড়িয়েছে। ইংরাজ ঐতিহাসিক এলফিন্সটন এদের সম্বন্ধে বলেছেন  “They resisted attacks from the king of Persia & Cabul,& retained their turbulent independence undiminished to the present day”

তাঁদের নব প্রতিষ্ঠিত ঘাঁটিগুলিতে ব্রিটিশ সরকার পদাতিক এবং ঘোড়সওয়ার ফৌজ, কামান বাহিনী আর প্রচুর যুদ্ধোপকরণ, রসদ প্রভৃতি এনে বোঝাই করলেন গোটা পাখতুনিস্তান নিজেদের সম্পূর্ণ অধিকারে আনবার জন্য। কিন্তু পাখতুনরা ব্রিটিশের এই রণসম্ভার দেখে ভয় পেয়ে নতিস্বীকার করলনা। ১৮৪৯ সালে বাজৌড় আর সোমান্দ এলাকার আফ্রিদি পাখতুনরা দশ হাজার লোকের একটি লশকর নিয়ে মালাকান্দের ব্রিটিশ ঘাঁটি আক্রমণ করল। ওয়াজিরি পাখতুনরাও নিজেদের এলাকায় ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলি আক্রমণ করলো।

১৮৪৯ থেকে ১৮৫২ সাল পর্যন্ত লড়াই চলল, মালাকান্দ, কোহাট, থাল আর দরগাইতে। এই সব ঘাঁটিগুলিতে ব্রিটিশের প্রচুর সৈন্য আর রসদ থাকা সত্ত্বেও তারা আফ্রিদি আর ওয়াজিরিদের আক্রমণ ঠেকিয়ে রাখতে পারল না। ভারতবর্ষ থেকে একটি বড় সৈন্যবাহিনী পাঠানো হল অবস্থা আয়ত্ত্বে আনবার জন্য। বাছা বাছা সমরবিদ অফিসারদের যথা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ক্যাম্বেল, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হজসন, কর্নেল বয়লো ইত্যাদিদের পাঠানো হল এই বাহিনীর সঙ্গে। ব্রিটিশ সামরিক অফিসাররা ১৮৪৯-১৮৫২ সালের পাখতুনিস্তানের যুদ্ধ সম্বন্ধে লিখেছেন যে তাঁদের কাছে ছিল আধুনিক ( তখনকার দিনের) উৎকৃষ্ট যুদ্ধোপকরণ আর হাতিয়ার, বৃহৎ কামান আর কামানের গাড়ি টানবার জন্য হাতি। পাখতুনদের কাছে ছিল শুধু ঢাল আর তলোয়ার আর সামান্য কিছু পুরানো ধরনের গাদা বন্দুক। কিন্তু সমুদ্রের ঢেউয়ের মতই দলের পর দল তাদের ঢাল আর তলোয়ার নিয়ে ব্রিটিশের মাসকেট আর কামানের গোলা অগ্রাহ্য করে ঝাঁপিয়ে পড়ে মরণ বরণ করে নিয়েছিল, আত্মসমর্পণ করেনি।

১৮৫২ সালের তিরাহ যুদ্ধের পটভূমি দরগাই এর কাছে সাদ্দা ফোর্ট ( ব্রিটিশ ঘাঁটি ), এই ফোর্ট থেকে পায়ে হাঁটা রাস্তা দিয়ে মাইলচারেক দূরে বাদামা মিলিশিয়া আউটপোস্ট। পায়ে হাঁটা সরু পথটি চলে গেছে দু সারি পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে। পাহাড়ি পথটি এতই বিপজ্জনক যে পাহাড়গুলির মাথায় সশস্ত্র পাহারার ব্যবস্থা না থাকলে দিনের বেলাতেও সৈন্যসামন্ত পর্যন্ত চলাচল করতে সাহস পায়না সে পথ দিয়ে।

সরকারি একটা কাজে বাদামায় যাবার প্রয়োজন হল একদিন। সেই সময় আবার তিরাহ-এর আফ্রিদিদের সঙ্গে গভর্নমেন্টের  মনোমালিন্য চলছিল , যা প্রায় সবসময়েই চলে থাকে। আমার দেহরক্ষী বলতে ছিল শুধু আমার দুজন খাসাদার ইব্রাহিম খানার নজিব গুল। কিন্তু চাকরি রক্ষার ব্যাপার যেখানে, সেখানে প্রাণের অত মায়া করলে চলেনা। দিনক্ষণ স্থির করে সাদ্দা ফোর্টে আমাদের এক সহকর্মী রশিদ খান কে অনুরোধ জানালাম বাদামায় খবরটা পাঠিয়ে দিতে।

রাস্তায় ছাপরি আর মান্দুরির মাঝে একটা ছোটখাটো ওয়াজিরি লশকরের অবস্থিতির গুজব শুনে ছাপরিতে অপেক্ষা করতে হল অনেকক্ষণ। রাস্তা নিরাপদ খবর পাবার পর যখন সাদ্দার পথে রওনা হলাম তখন বেলা পড়ে এসেছে, কাজেই সাদ্দা ফোর্টে পৌঁছতে বেশ দেরি হয়ে গেল। বাদামায় যেতে হলে সেখানে সন্ধ্যার আগে পৌঁছোন যাবে না। বাদামা থেকে আমাদের মিস্ত্রি খালিম গুল এসেছিল আমাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাবার জন্য। তার মতে ও’সময়ে বাদামায় যাতায়াত করা মোটেই নিরাপদ নয়। কাজেই সেই রাতটার জন্য সাদ্দায় থেকে গেলাম রশিদ খান এর বাড়িতেই।

পাখতুনদের দেশে সশস্ত্র না হয়ে কেউ ঘরের বাইরে যায়না। আমাদের খালিম গুলও তার রাইফেল, কার্তুজের বেল্ট আর ছোরা সঙ্গে নিয়ে এসেছিল। কিছুটা স্বস্তি অনুভব করলাম , কারণ আমার দুই খাসাদারের মধ্যে শুধু নজিব গুলই সঙ্গে এসেছিলো। তাছাড়া খালিম গুল আমাকে ভরসা দিল যে পরদিন তার গ্রামের লোকেরা বেলা দশটা নাগাদ দু’পাশের পাহাড়ের মাথায় উঠে পাহারা দেবে আমাদের নিরাপত্তার জন্য।

বন্ধু রশিদ খানের বাড়িটা সাদ্দা ফোর্ট থেকে প্রায় তিনশ গজ দূরে। পাথরের তৈরি দোতলা বাড়ি। নিচের তলায় তাঁর অফিস আর দোতলায় তাঁর বাসস্থান। পাশেই এক পাখতুনের ছোট্টো গোস্ত রুটির দোকান। সেখানে মুর্গি রোস্ট, নান রুটি আর সবুজ চা তৈরি হয়। একটা আস্ত মুর্গি রোস্ট চার আনা আর এক ফুট ব্যাস, আধ ইঞ্চি পুরু নান রুটি দু আনা করে। রশিদ খান দম্পতি সাধারণত রাতের খাবারটা  দোকান থেকে আনিয়ে নেন। আমার জন্যে বাড়তি আধখানা মুর্গি আর একখানা নান রুটি আনিয়ে নিলেন। তার সঙ্গে আধ সেরটাক আঙ্গুর। সেই দোকানের মুর্গি রোস্টের কথা মনে হলে এই বৃদ্ধ বয়সেও আমার জিভে জল এসে যায়।

timemachinesimanter ontoraale (Small)সাদ্দা জায়গাটির বিশেষত্ব নাই কিছুই, সেই গাছপালাবিহীন পাহাড় যা পাখতুনিস্তানের বেশির ভাগ জায়গা জুড়ে আছে। উপরন্তু পাহাড়গুলি সাদ্দার এত কাছ ঘেঁসে চলেছে যে যেদিকেই চোখ যায় কয়েক শ গজ গিয়েই দৃষ্টি হোঁচট খায় কোনও একটা পাহাড়ের গায়। রশিদ খান সাহেবের বাড়ির দেওয়াল সুদৃঢ় পাথরের তৈরি আর কবাটগুলিও খুব পুরু আর মজবুত কাঠের , কিন্তু তবুও রাতের বেলায় ঘুম হলনা। কে জানে হঠাৎ যদি আফ্রিদিদের খেয়াল হয় রশিদ খানের বাড়িতে হানা দিতে তাহলে সাদ্দা ফোর্টের মিলিশিয়া সেপাইরা ইউ, দোয়া, দ্রে করতে করতে যতক্ষণে এসে পৌছবে  ততক্ষণে আমাদের দফা শেষ।

সকাল বেলা রশিদ সাহেবের ‘গুড মর্নিং’ শুনে ঘুম ভেঙে গেল।

শুনে বললাম, “কিন্তু রশিদ সাহেব, আপনাদের দেশে গুড মর্নিং কথাটা একেবারে বেখাপ্পা শোনায়। বরং ‘স্তূড়িমাসে’ ‘খোয়ার মাসে’ মানায় ভাল।”

উনি বললেন,  “কেন? আপনাদের দেশের প্রভাত কি আরও সুন্দর? লাহোর, রাওলপিণ্ডির  প্রভাতও আমার ভাল লাগেনা। সকালবেলা বিছানা থেকে উঠেই শুনি যত সব হইহল্লা-”

“না আমি লাহোর বা রাওলপিণ্ডির কথা বলছি না। কোনও বড়ো শহরের প্রভাত সুন্দর হতে পারেনা। বাংলাদেশ , বিহার, ইউ পি প্রভৃতি জায়গার ছোটো ছোটো শহর বা গ্রামগুলির প্রভাত সত্যই সুন্দর। একটা দু লাইনের ছড়াতেই ফুটে ওঠে— পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল, কাননে কুসুমকলি কতই ফুটিল।”

খান সাহেব বললেন, “ছড়াটার মানে বলুন তর্জমা করে।”

“ঠিক তর্জমা করার জন্য যতটা ভাষাজ্ঞান আবশ্যক, আমার তা নেই, মানেটা বলার চেষ্টা করতে পারি মাত্র – ‘পরিন্দে গা রহে হ্যাঁয় এ্যায়লান ইয়ে সুবহকা, গুলশন মে আয়ী বাহার ফুল অউর কলিওঁকা।’  ঠিক ভাবটা প্রকাশ করতে পারলাম না।”

“ঠিক আছে। ভাবটা আমি ঠিকই অনুভব করতে পেরেছি।  খৎকা মজনু ভাঁপ লেতে হ্যাঁয় লিফাফা দেখ কর। অর্থাৎ লেফেফার চেহারা দেখেই চিঠিতে কী লেখা আছে আন্দাজ করে নিতে পারি। প্রভাতটা আপনাদের দেশে নিশ্চয়ই সুন্দর।”

বেলা দশটা নাগাদ রশিদ খানের শুভেচ্ছা “খুদা আপকো বা খইরিয়ত ওয়াপস লে আওয়ে”  নিয়ে বাদামার দিকে রওনা হলাম। সাদ্দা ফোর্ট থেকে  খবর পেলাম যে বাদামার পথ অন্তত দু মাইল পরিষ্কার আছে, অর্থাৎ কোনও পাখতুন উপজাতি লশকর দু’মাইলের মধ্যে নাই। তার পরের খবর ফোর্টের ওয়াচ টাওয়ার থেকে পাওয়া গেল না। অদৃষ্টের ওপর নির্ভর করে এগিয়ে গেলাম।

দু সারি পাহাড়ের মাঝখানে ছোট্ট গিরিবর্ত্মের মুখে পৌঁছে একটু অস্বস্তি বোধ করতে লাগলাম। কী জানি এই গিরিবর্ত্মের ভিতর কোন বিপদ আছে কিনা! খালিম গুল ভরসা দিল যে তার গ্রামের লোক দু ধারে পাহাড়ের ওপর পৌঁছে গেছে। যদিও তাদের দেখা যাচ্ছেনা , কিন্তু লক্ষ করলে দেখতে পাওয়া যায় পাহাড়গুলির মাথায় এখানে সেখানে তাদের রাইফেলের নল সূর্যের আলোয় ঝক ঝক করছে। আমি অবশ্য কোনও রাইফেলের নল দেখতে পেলাম না, কিন্তু ওই অদৃশ্য নলগুলির ওপর ভরসা করা ছাড়া উপায়ই বা কী?

গিরিবর্ত্মটা পার হয়ে বাদামায় পৌঁছলাম। গ্রামখানি খুব ছোট। মাত্র খানবিশেক বাড়ি। বড়ো বড়ো গ্রামগুলির মত এখানেও একখানা বেশ বড়ো মিনার। পালা করে গ্রামের দুজন লোক এই মিনারে বসে থাকে রাইফেল নিয়ে, শত্রুর আচমকা আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য। গ্রামের খানিকটা নীচে একটি ছোটো পাহাড়ি নদী বয়ে যাচ্ছে। সেখানে আমাদের একটি পাম্পহাউস। জল পাম্প করা হয় হাইড্রলিক র‍্যাম দিয়ে। মাইলখানেক দূরে একটি পাহাড়ের চূড়ায় মিলিশিয়া পোস্টে জল সরবরাহ করা হয় পাম্পহাউস থেকে। খালিম গুল আমাকে জানাল যে মিলিশিয়া পোস্টটি মাঝে মাঝে হাত বদল হয়, তবে জলাভাবের অভিযোগ বছরখানেকের মধ্যে পাওয়া যায় নি, কাজেই ধরে নিতে হবে যে জল ওখানে ঠিকই পৌঁছোচ্ছে। মিলিশিয়া পোস্ট মাঝেমাঝে হাত বদল হয়, কথাটার অর্থ বুঝতে পারলাম না। খালিম গুল সহজ কথায় বুঝিয়ে দিল, “মানে পোস্টটি কোনও দিন ইংরাজের অধিকারে আর কোনও দিন আফ্রিদি পাখতুনদের কব্জায় থাকে, এই আর কি। ধরুন কোনও দিন হয়তো ইংরাজের মিলিশিয়া দিব্য আরাম করে বসে আছে পোস্টে, হঠাৎ আফ্রিদিরা এসে লড়াই করে পোস্টটি কেড়ে নিল। আবার কখনো কখনো মিলিশিয়ার সেপাইরাই হয়তো ইংরাজের দলত্যাগ ঘোষণা করে নিজেরাই পোস্টটার মালিক হয়ে বসে। হাজার হোক মিলিশিয়ার সেপাইরাও তো পাখতুন।”

জিজ্ঞাসা করলাম যে আজ মিলিশিয়া পোস্টটি কাদের অধিকারে আছে? খালিম গুল বলল, “তা ঠিক বলতে পারব না, তবে যদি সঠিক জানতে ইচ্ছা করেন তবে চলুন আমার সঙ্গে পোস্টে গিয়ে দেখে আসি। পোস্টটি যদি আজ ইংরাজের অধিকারে না থাকে তাহলে পাহাড় চূড়া পর্যন্ত আর কষ্ট করে উঠতে হবে না। তার আগেই রাইফেলের গুলিতে লুটিয়ে পড়তে হবে।”

আমি বললাম, “থাক আর ওদিকে গিয়ে কাজ নেই। পাম্প যখন ঠিক চলছে তখন জলও ওখানে ঠিকই পৌঁছোচ্ছে ধরে নিতে হবে। সে জলটা কারা খাচ্ছে তা না হয় নাই বা দেখলাম।”

ছবি শিবশঙ্কর ভট্টাচার্য 
ক্রমশ

আগের পর্বগুলো এই লিংকে