টাইম মেশিন

time01

পত্র – ১৭

দেনাপুর থেকে বিলগ্রাম যাবার পথে কয়েকদিনের জন্য বেনারসে থামলাম। গঙ্গার উত্তর পাড়ে এটি একটি  সমৃদ্ধ ও জনবহুল শহর। বেনারসের খ্যাতির অন্যতম কারণ অতীতের শিক্ষাকেন্দ্রের গৌরব। এককালে এখানে একটি উন্নত মহাকাশ পর্যবেক্ষণকেন্দ্রও ছিল আর এই সেদিন বিজ্ঞান ও পুরাতত্ত্বের একজন ইউরোপীয় অনুসন্ধিৎসু বহু জ্যোতির্বিদ্যার যন্ত্রপাতি আবিষ্কারও করেছেন। সেগুলি সময়ের অভিঘাতে খানিক নষ্ট হয়েছে ঠিকই তবু অত্যন্ত যত্ন সহকারে তাদের উদ্ধার ও সংরক্ষণ সম্ভব হয়েছে। এমনটা মনে করা হয় মুঘল সম্রাট আকবরের হুকুমে এসব যন্ত্রপাতি শখানেক বছর আগে তৈরি করা হয়েছিল। আকবর বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তারই নিরন্তর উৎসাহে পন্ডিতদের বড়ো অংশ  জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছিলেন।

timemachinedeen5501 (Medium)বেনারসকে ভারতবর্ষের মধ্যে স্বর্গ-এর তুল্য মনে করা হয়। স্বাস্থ্যকর জলবায়ু, চমৎকার পরিবেশ ও প্রকৃতি, অধিবাসীদের সারল্য, তাদের আন্তরিক ও সহজ ব্যবহার কাছাকাছি আসা সকল মানুষকেই প্রভাবিত করে। ভারতের অন্যান্য জায়গাতে যখন কিছু না কিছু যুদ্ধের বিভীষিকা সেই সময় এখানে যুদ্ধের আঁচ প্রায় নেই। হয়তো সমুদ্রবন্দর থেকে দূরে বলেই, অথবা আরো যুক্তিযুক্ত কারণ হতে পারে এর ধার্মিক মাহাত্ম্য। বহু প্রাচীন কাল থেকেই এ নগরী ধর্মের এবং শিক্ষার কেন্দ্র, পাশাপাশি হিন্দুজাতির সহজ জীবনচর্চার পীঠস্থান। যুদ্ধের হানাহানি কাটাকাটি কোনো সভ্য জাতির লক্ষণ হতে পারে না বলে, এ ব্যাপার নিয়ে একেবারেই এখানকার মানুষেরা একেবারেই উদাসীন ও বিমুখ।    

তো, বেনারসে, গঙ্গার পাড়ে গড়ে ওঠা নগরীতে ফেরা যাক। রাজঘাট থেকে গঙ্গার পাড় বরাবর রাজা চৈত সিং –এর প্রাসাদ অবধি, নয় নয় করে চার মাইল বিস্তৃত এই শহর। শহরের মাঝখানে এক প্রাচীন ও বিশাল মহলা বাড়ি, যার নাম মাধো দাস ধরহরা। প্রথম দর্শনেই চোখকে টানবে, এমন চমৎকারী। প্রাসাদের মিনারগুলির পাশাপাশি অবস্থানও এমন যেন শহর ও আশপাশের জায়গাকে তা পর্যবেক্ষণ করছে। হিন্দু তীর্থযাত্রীদের অন্তর্বর্তী সাময়িক বাসস্থান এই বেনারস। এ শহরের ওপর দিয়ে যাবার সময় এমন শান্তিপূর্ণ স্থানে সকলেই দু চারদিন কাটান। খানিক দূরে হিরে ব্যবসায়ী বেণী মহাশয়ের আকর্ষণীয় প্রাসাদসম বাড়ি। বাড়িটা ঘাটের ওপরেই। বাড়ির মালিকের নামে নাম মিলিয়ে সে ঘাটের নাম বেণীমাধব রায় ঘাট।  যেমন আইরিশ ভাষাতে বলা হয়ে থাকে সালিভানের চত্বর (সালিভান = আইরিশ ভাষায় শিশুনাম; কোয়ে = পাথরের বাঁধানো চত্বর – অনুবাদক) বা ফরাসিতে জেটি বা স্লিপ তেমনই নদী থেকে ডাঙা অবধি পরপর এমন অনেক পাথরের সিঁড়ি-ঘাট বানানো রয়েছে আর সেগুলির নামকরণ করা হয়েছে সেখানে যিনি বা যারা বাড়ি করেছেন তার বা তাদের নাম অনুসারে। যথা রাম ঘাট, রাণা ঘাট, পিল্লাই ঘাট, চৌকি ঘাট, মারাঠা ঘাট ইত্যাদি।

শহরের একেবারে পুবদিকে বড়ো চৌকো পাঁচিলঘেরা বাড়ি একখানা। এটা সরাইখানা, সমস্তরকম ভ্রমণকারী, পথিকের থাকার জায়গা। পয়সাওয়ালারা তাদের থাকার সুবন্দোবস্তের জন্য অর্থব্যয় করেন, কিন্তু গরীব মানুষেরাও থাকতে পান বিনেপয়সাতেই। এই প্রশংসনীয় ব্যবস্থাপনা শহরের প্রথিতযশা ব্যবসায়ীদের স্বতস্ফুর্ত দানের অর্থেই চলে।

এ ছাড়াও এমন চমৎকার সব জায়গা আছে যা অন্যান্য ব্যবসাদার, উৎপাদক, বৌদ্ধস্তূপ বা হিন্দুদের মন্দির এর তত্ত্বাবধানেই পরিচালিত হয়।  বেনারসের রাস্তা, বলা ভালো গলিগুলো কিন্তু বেশ চাপা আর সরু। বাড়িগুলো ঘেঁষাঘেঁষি, একটার গা লাগোয়া আরেকটা, বেশ উঁচু আর সমতল ছাদওয়ালা। বাসিন্দারা সেই ছাদে গরমের বিকেলে হাওয়া খেয়ে বেড়ান। শহরের নানান অংশে বাসিন্দাদের অথবা আগত ভ্রমণার্থীদের ব্যবহারের জন্য চৌবাচ্চা বা কুয়ো মজুত। এমনকি দরকারে গরিব পথিকের জন্য খাদ্যদ্রব্যের ব্যবস্থাও, মানবিকতার খাতিরে, ওই কুয়ো বা চৌবাচ্চার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিই করে থাকেন। এই শহরের বাসিন্দারা সুনাগরিক এবং বাইরের মুলুকে সুভদ্র ও শ্রদ্ধার পাত্র হিসেবেই গ্রহণীয় হয়ে ওঠেন, সে ঘোড়ায় চড়েই যান আর পালকিতে। পারিষদেরা তাদের উৎফুল্ল চিত্তেই বরণ করে থাকেন। এখানকার সিল্কের কাপড় সর্বোৎকৃষ্ট ও নিখুঁত। ভারতে এমন জায়গা হাতে গোনা যেখানে এত ধরণের সাটিন, কিংখাব, সোনার ফুলকারি কাজ করা সিল্কের কাপড় – স্বর্ণবাঁধনি এবং তার পাশাপাশি পাড়জুড়ে সোনা-রুপার কাজ করা মসলিনের শালও পাওয়া যায়। এ জায়গা আরো নানা কারণে বিখ্যাত। যেমন উৎকৃষ্ট কার্পেট, সোরা(পটাশিয়াম নাইট্রেট), চিনি, আতর ও কস্তুরী। ব্যবসা বাণিজ্য হয় মূলত কম্পানির সেনা আর অন্যান্য প্রদেশের খুচরো মজুতদারদের সাথে। এদের পসরার বদলে হিরে এবং বিভিন্ন শিল্পদ্রব্য বিনিময় করা হয়ে থাকে।

শহরের তিন মাইল উত্তরে রাজবাড়ি। এক অসামান্য রাজপ্রাসাদ। রাজা সাধারণত সেখানে গ্রীষ্মকালটুকু কাটান। বাড়ির চারপাশ ঘিরে  গাছের সারি, ঘাসে ঢাকা জমি, ছায়াঘেরা হাঁটাপথ, পুকুর আর ছোটো ছোটো ঝরনা।

পত্র ১৮

এবারে হিন্দু মানুষজন, যারা এখানকার বাসিন্দা, তাদের সম্পর্কে বলি। হিন্দুরা চারটে শ্রেণীতে বিভক্ত, ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শুদ্র। ব্রাহ্মণরা সবচেয়ে অগ্রবর্তী, প্রাচীন ও শ্রদ্ধেয় এবং এরা পুরোহিত, দার্শনিক ও শিক্ষক। দ্বিতীয় শ্রেণী ক্ষত্রিয়, যারা মূলত যোদ্ধা। সরকারের ও দেশের প্রতিরক্ষার ভার থাকে এদের হাতে। যুদ্ধে এরাই সৈনিক, সেনানায়ক, শান্তির সময় এদের মধ্যেই কেউ বিচারক কেউ শাসক। বৈশ্য, তৃতীয় শ্রেণীর মানুষেরা; এরা বণিক, বাণিজ্য যাদের জীবিকা। এরাই জীবনধারণের নানান বস্তু সরবরাহ করেন কৃষি ও বাণিজ্যের মাধ্যমে। এভাবেই সমাজের বিভিন্ন খাতে সম্পদের হস্তান্তর ঘটে। চতুর্থ শ্রেণীর লোকেরাই শুদ্র। এরা প্রধানত শ্রমিক, মজুর ও ভৃত্য। এছাড়াও সর্বনিম্ন স্তরে আরেক সম্প্রদায় আছেন যাদের মধ্যে স্বর্ণখোঁজি, চামার, ডোম বা ঝুড়ি প্রস্তুতকারক মানুষেরা অন্তর্ভূক্ত। এদের এতটাই নীচু ও সামাজিকভাবে ঘৃণ্য মনে করা হয়  যে এদের নাম নিলেও সাধারণ উচ্চবর্ণের হিন্দুর মনে অস্পৃশ্যতা ও সমাজের নিম্নস্তরের আভাস জেগে ওঠে। কোনো মানুষই ধর্মান্তর্করণ বা বর্গাকরণ ছাড়া আপন আপন বর্ণ বা জাতি পরিবর্তন করতে পারেন না। সমাজের মানুষের মধ্যে এই শ্রেণীবিভাগ, আর তাদের নিজের নিজের জাতের প্রতি দৃঢ় ও একনিষ্ঠ সংযোগ দেখে মনে হয়, প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে এই শ্রেণীবিভাজন, আর এভাবেই চলবে আরো আরো বহুদিন। 

timemachinedeen5502 (Medium)ব্রাহ্মণদের মধ্যে আবার পাঁচটা বর্গ। প্রথম, যাঁরা মাংস খান না। দ্বিতীয় যাঁরা কোনো কোনো মাংস খেয়ে থাকেন। তৃতীয়, যাঁরা বিবাহ করেন। চতুর্থ, যাঁরা কঠোর ব্রহ্মচর্য পালন করেন। পঞ্চম যারা বেশিরভাগ সময়েই নিশ্চল থাকেন। এই নড়াচড়া না করার কারণ পাছে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণী এতে মারা যায়। এমনকি এঁরা মুখে একখন্ড মসলিন বা সিল্কের কাপড় বেঁধে রাখেন পাছে সুক্ষ্ম জীবাণুরা শ্বাসের সঙ্গে মুখে চলে না যায়। তাঁরা এতই এ বিষয়ে যত্নবান ও সতর্ক থাকেন যে কাঠ জ্বালান না, পাছে কোন পতঙ্গ ধংস হয়। এঁরা সঙ্গে একটা ঝাড়ন রাখেন, কোথাও বসার আগে সেখানটা পরিষ্কার করে নেন যাতে সে জায়গার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণীও সরিয়ে দেওয়া যায়। এই চরম সাবধানতার কারণ তাঁরা আত্মার দেহবদলে বিশ্বাস করেন। তাঁরা মনে করেন মৃত আত্মা জীবজন্তুর দেহে প্রবেশ করে এবং কারো মৃত্যুর পর কোন প্রাণীকে বাড়ির আশপাশে বেশিবার ঘোরাফেরা করতে দেখলেই অবধারিতভাবে সিদ্ধান্ত হবে যে তাঁদের প্রিয়জনই এই নতুন রূপে ফিরে এসেছেন। জীবনবিযুক্ত কোনকিছু ভাবতেই পারেন না তাঁরা। ছোট্টো মশা থেকে বিশাল হাতি সকলের মধ্যের প্রাণকে একইরকম শ্রদ্ধায় দেখেন এঁরা।

তাঁরা বিশ্বাস করেন অনাদিকাল থেকে শুধুই একজন অসীম, গুণাতীত, সর্বশক্তিমান ঈশ্বরই নন,  তার পরবর্তী ধাপে আরো তিন দেবতা আছেন, ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর। প্রথমজন সৃষ্টিকর্তা, দ্বিতীয়জন পালনকর্তা ও তৃতীয়জন সংহারকর্তা। এই ঐশ্বরিক ক্ষমতা বোঝানোর জন্য এদের মূর্তিতে প্রায়শই একাধিক চোখ এবং হাত যুক্ত করা হয়। যাতে লোকের মনে এদের শক্তি এবং ক্ষমতা সম্পর্কে একটা জোরালো ধারণা হয়। আর তাদের সামাজিক দায়িত্ব সম্পর্কেও সচেতন করে দেওয়া যায়। ব্রাহ্মণরা তাদের অনুসরণকারী মানুষজনকে তীর্থযাত্রার পরামর্শ দিয়ে থাকেন, বিশেষত গঙ্গার উজানে যেসব ধর্মীয়স্থান আছে সে’সব জায়গাতে। তাদের মতে গঙ্গায় স্নান করলেই বহু বহু পাপ ধুয়ে যায়।  মহিলারা সকালে উঠে পুষ্পপত্র নিয়ে গঙ্গাস্নানে যান। নিজের হাতে প্রদীপ ভাসান। স্নানের পর ধূপধুনো ঘন্টা সহযোগে গঙ্গাপুজো। এসব আচার বিচার ধর্মীয় বিশ্বাস ইউরোপীয়দের কাছে আশ্চর্যের মনে হতে পারে তবু সেগুলির সামাজিক মূল্য অসীম, বিশেষত নীতিনিষ্ঠ জীবনচর্চার জন্য। ত্যাগ তিতিক্ষা সুবিচার মানবিকতা এসব গুণের চর্চাই হয় এসমস্ত আচারের মধ্য দিয়ে। নানান আড়ম্বর, বিচিত্র আচার-বিচার আর সংস্কারের মধ্যেও আমরা আবিষ্কার করে ফেলতে পারি নৈতিকতা, গভীর দর্শন আর পরিশীলিত কাজের পদ্ধতি। কিন্তু যেই এসমস্ত ধর্মীয় বা সামাজিক সংস্থাগুলির উৎস খোঁজার চেষ্টা করব, দেখব প্রাচীনত্বের ভুলভুলাইয়ার মধ্যে তা হারিয়ে গেছে। ভারতীয় হিন্দুরা স্বভাবগতভাবেই খুব সক্ষম এবং পারঙ্গম। সাহিত্য এবং বিজ্ঞানচর্চা যে তাদের অভ্যাসে নেই এমনটাও নয়। আইন ই আকবরী-এর ইংরিজি অনুবাদ পড়লেই তা টের পাওয়া যাবে। বিজ্ঞানের নানান শাখার সূচনাপত্র প্রাচীন পুঁথির মধ্যে সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে। এমনকি পিথাগোরাসের আমলের আগেই গ্রিকরা নানান পরামর্শের জন্য এদেশে আসতেন তার প্রমাণ রয়েছে। সেসময়ে এদেশের সাথে ওদেশের বস্ত্র ইত্যাদি পণ্যের বিনিময়-বাণিজ্যের উপস্থিতিই কলা ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারতের উৎকর্ষতার সাক্ষ্য বহন করে।

উচ্চ অভিজাত শ্রেণী বাদে সাধারণভাবে মূলত ঘরের মহিলারাই রান্নাঘর সামলান। কোনো হিন্দুই তার স্ত্রীর তৈরি করা খাবার ছাড়া খেতে পছন্দ করেন না। খাবার বলতে ভাত, তরিতরকারি, মাছ এইসব। যথেষ্টই মশলাদার এবং ঝালঝাল। সঙ্গে নানান রকম আচার। পরিবারের পুরুষেরা একত্রে খেতে বসেন, মহিলাদের সাথে নয়। খাবার আগে পাগড়ি, বাইরের জামাকাপড়, জুতো খুলে রেখে হাতমুখ ধুয়ে তবেই খেতে বসেন। খাবার পরেও একপ্রস্থ হাতমুখ ধোওয়া চলে। খাবার শেষে বসবার ঘর বা অন্যত্র বসে তামাক খান নয়ত পান চিবোন। মদ বা অন্যান্য পানীয় গ্রহণের চল নেই কিন্তু নানান স্বাদের সুগন্ধি জলপান পছন্দ করে থাকেন।

এই সম্প্রদায়ের মানুষদের অন্ত্যেষ্টিও নানানভাবে হয়। কেউ দেহটিকে বসা অবস্থানে মাটিতে চাপা দেন, সাথে খাবার জল ইত্যাদি দিয়ে রাখেন। মৃতদেহটি অলঙ্কারে সাজানো থাকলেও মাটিচাপা দেবার আগে ঘনিষ্ঠজনেরা সমস্ত কাপড় অলঙ্কার খুলে রেখে দেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অবশ্য মৃতদেহ পোড়ানো হয়। নিয়ম হল জলের কাছাকাছি চিতা সাজিয়ে তার ওপর দেহটিকে রেখে পোড়ানো। নিকটাত্মীয় একজন মলিন কাপড় পরে চিতায় আগুন দেন। হিন্দুরা মনে করে মলিন বস্ত্র শোকের প্রতীক। আর আছারি পিছারি কান্না দুঃখ প্রকাশ এসব তো আছেই।  দেহটি সর্বাংশে পুড়ে গেলে ছাই সংগ্রহ করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। খুব বড়ো বিখ্যাত মানুষের অস্থিভষ্ম ধাতব পাত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্রাহ্মণ নিয়ে গিয়ে গঙ্গায় বিসর্জন দেন। গঙ্গার জল তাঁদের কাছে বড়োই পবিত্র যে!

ক্রমশ

আগের সমস্ত এপিসোডগুলো একত্রে এইখানে