ধারাবাহিক উপন্যাস-অন্তিম অভিযান-পিটার বিশ্বাস

dharaontim01 (Small) (2)

মুখের ওপর হালকা ছোঁয়াটা পেতেই তাড়াতাড়ি চোখ মেললেন প্রফেসর বোস। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। দুচোখের মাঝখানে তাক করা লেজার বন্দুকের মাথার লেনসটা চকচক করছিল পেছন থেকে আসা একটা আলোর রেখার স্পর্শ পেয়ে। আলোটা তাঁর মুখের দিকে সরাসরি ধরা।

“নড়বার চেষ্টা করবেন না প্রফেসর বোস অথবা যে-ই হন আপনি,” আলোর রেখার পেছনে দাঁড়ানো অতিকায় অন্ধকারের স্তূপটার থেকে মৃদু গলায় একটা সাবধানবাণী বের হয়ে এল, “আমি এ যন্ত্রটার ব্যবহার জানি।”

   অন্য একজন মানুষ তখন দক্ষভাবে তাঁকে বেঁধে ফেলছে। এইবার হাতে ধরা আলোটা গুহার ছাদের দিকে মুখ করে মেঝেতে নামিয়ে রাখল মানুষটা। মৃদু, অনুজ্জ্বল একটা আলো ছড়িয়ে গেল গোটা গুহা জুড়ে। সেই আলোয় সামনে দাঁড়ানো মানুষটাকে মনে মনে জরিপ করে নিচ্ছিলেন প্রফেসর।

“জিষ্ণু-আমার ছেলে-তাকে-”

আলোটা হঠাৎ ঘুরে গেল একপাশে। সেখানে বালিশে মাথা রেখে অঘোরে ঘুমোচ্ছে জিষ্ণু। গভীর নিঃশ্বাসের তালে তালে তার বুকের ওঠাপড়া পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল।

“ওকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। আমাদের ছত্রাক কোন স্থায়ী ক্ষতি করে না। ঘন্টাকয়েক পড়ে ওর ঘুম ভাঙবে। ততক্ষণে আমার কিছু প্রয়োজনীয় কথা জানবার আছে আপনার কাছ থেকে।”

মানুষটার মুখের পরিশিলীত বাংলার মধ্যে একটা হালকা অচেনা টান ছিল। প্রফেসর চুপ করে রইলেন। ঘরের মধ্যেটা এইবারে বেশ পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। টর্চ ও দেয়ালের ছত্রাকের মিলিত আলোয় চোখ সয়ে এসেছে ততক্ষণে প্রফেসরের।

সামনে দাঁড়ানো মানুষটার বয়স চল্লিশের আশপাশে হবে। গায়ের তাপনিয়ন্ত্রক পোশাকটা পুরোনো, কিন্তু শক্তপোক্ত। একমনে সে হাতে ধরা প্রফেসরের লেজার অস্ত্রটিকে দেখছিল।

“হুম। মডেল এক্‌স্‌ ৮। প্রতিরক্ষা বিভাগের একেবারে আনকোরা নতুন আবিষ্কার। একবার চার্জ করে নিলে সাত হাজারবার ফায়ার করা যায়। বাজারে এর এক একটার জন্য সমান ওজনের হিরের চেয়েও বেশি দাম দিতে রাজি খদ্দেরের অভাব নেই। আপনার আর ওই বাচ্চাটার কাছে দেখছি দু দুখানা রয়েছে। পেলেন কার থেকে? কত পড়ল বলুন তো?”

বলতেবলতেই প্রফেসরের মুখে আটকানো আঠালো কাগজের টুকরোটা একটা হ্যাঁচকা টানে খুলে দিল মানুষটি।

“এ যন্ত্রটা বাজারে বিক্রি হয় না। ”

“কী যে বলেন প্রফেসর! বাজারে সবকিছুই বিক্রি হয়। শুধু ঠিকঠাক যোগানদার খুঁজে বের করতে প্রলেই হল। কিন্তু কা পোন চি এখনো যে জিনিস জোগাড় করতে পারল না, প্রতিরক্ষা বিভাগের সেই নতুন মডেলের অস্ত্র বাজারে কোন খেলোয়ার নিয়ে এল সেইটেই জানতে চাইছি।”

“আপনার নামটা কোথাও শুনেছি।”

মৃদু হাসল মানুষটা, “শোনবার কথা। সমস্ত পার্থিব প্রচারমাধ্যমেই আমার নামে সতর্কবার্তা দেয়া আছে।”

প্রফেসর বোসের ভুরুদুটো কুঁচকে উঠল, “হ্যাঁ। মনে পড়েছে। এই মুহূর্তে পূর্ব গোলার্ধের সবচেয়ে নামকরা চোরাকারবারী। টাকার জন্য না পারে এমন কাজ নেই।”

“বাজে কথা রাখুন। আপনি কাদের হয়ে কাজ করছেন সেটা বলবেন কী?”

কোন জবাব দিলেন না প্রফেসর। একটু বাদে লোকটা ফের মুখ খুলল, “আপনি লাজলো ক্লদিয়াসের লোক?”

“সে কে?”

“বোকা সাজবেন না প্রফেসর। চারখানা টাইটানিয়াম খনির মালিক লাজলোকে চেনে না এমন মানুষ কেউ নেই। টাকার কুমীর। পৃথিবীর সবচেয়ে দামি মহাকাশ প্রমোদতরীর মালিক। ওর টাইটানিয়ামের লোভের শেষ নেই।”

হঠাৎ চোখদুটি চকচক করে উঠল প্রফেসর বোসের, “কিন্তু আমি যে লাজলোর হয়ে কাজ করছি, হঠাৎ এ সন্দেহ আপনার হল কেন?”

“প্রশ্নগুলো আমি করব প্রফেসর, আপনি উত্তর দেবেন।”

“আমার বাঁধনটা খুলে দেবেন কি?”

“যতক্ষণ না আপনার ব্যাপারে নিশ্চিত হচ্ছি ততক্ষণ নয়।”

“আমার অস্ত্র তো আপনার কাছে। তবুও ভয় পাচ্ছেন?”

“আমার প্রশ্নের উত্তর দিন প্রফেসর। আপনি কি লাজলোর লোক?”

dharaontim01 (Small)প্রফেসর বোসের মুখটা কঠিন হল এবারে, “অস্ত্রটায় পুরো চার্জ রয়েছে। আপনি চাইলে ওটা আমার ওপর ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু, বাঁধন না খোলা অবধি আমি আপনার কোন প্রশ্নের জবাব দেব না।”

“হুম। সাহস আছে। আচ্ছা বেশ-”

বলতেবলতেই জিষ্ণুর দিকে এগিয়ে গিয়ে হাতের অস্ত্রটা তার মাথার দিকে ঘুরিয়ে ধরল কা পোন। তারপর একটা ছোটো ছুরি নিখুঁত লক্ষ্যে ছুঁড়ে দিল প্রফেসর বোসের হাতের কাছে—

“–এবারে বলুন-”

ততক্ষণে নিজের বাঁধনগুলো কেটে ফেলেছেন প্রফেসর বোস। জবাবে নিজের বাঁহাতটা তুলে ধরলেন তিনি। তারপর মনিবন্ধে একটা মৃদু টোকা মেরে বললেন, আপনার কাছে পরিচয়-চিপ স্ক্যানার আছে কী? আমার  পরিচয়-চিপ এইখানে রয়েছে।

জিষ্ণুর দিকে এক হাতে অস্ত্রটা ধরে রেখেই মানুষটা অন্য হাতে তার পোশাকের পকেট থেকে একটা ছোটো যন্ত্র বের করে এনে সেটাকে ছুঁড়ে দিল প্রফেসরের দিকে।

বাঁহাতের মণিবন্ধে সেটাকে ছুঁইয়ে ফের কা পোনের কাছে তা ফেরত পাঠালেন প্রফেসর।

“প্রয়োজন হলে আমার রেটিনা স্ক্যান করে পরিচয় চিপের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে নিতে পারেন কা পোন,” খানিক পরে ফের কথা বললেন প্রফেসর।

“উঁহু। প্রয়োজন হবে না,” হাতে ধরা যন্ত্রটার পর্দার দিকে দেখতে দেখতে জবাব দিল লোকটি, “আপনি লাজলোর লোক নন। আমি নিশ্চিত। ভারত সরকারের প্রতিরক্ষা দফতরের পরিচয় চিপ নকল করবার প্রযুক্তি এমন কি লাজলোরও নাগালের বাইরে।”

“বেশ। এবারে বলবেন কি, আপনি কেন আমায় লাজলোর লোক ভেবেছিলান প্রথমে?”

প্রফেসরের কথার উত্তর না দিয়ে কা পোন চি একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিল তাঁর দিকে। হঠাৎ করেই এক মুহূর্তের জন্য একটা লুব্ধ ভাব খেলে গেল তার মুখে, “লালপিওতে আপনার জন্য কত দর দিয়েছে জানেন?”

“আপনি—”

“সারা পৃথিবীর সমস্ত অপরাধীদল এই মুহূর্তে আপনাকে খুঁজছে, আর সেই হিরের খনি আমার হাতের মুঠোয় নিজে থেকেই এসে ঢুকে বসে আছে—”

“তুমি যা জানতে চেয়েছিলে তা জেনেছ কা পোন। এইবার এই অতিথির প্রশ্নের উত্তর দাও।”

বলতে বলতে দেয়ালের কাছ থেকে এইবারে আলোর বৃত্তের মধ্যে এসে দাঁড়ালেন সন্ধ্যাবেলার সেই বৃদ্ধটি। তারপর প্রফেসর বোসের দিকে হাত তুলে মৃদু গলায় বললেন, “এইভাবে আপনাকে ব্যতিব্যস্ত করবার জন্য মার্জনা চাইছি হে অতিথি। কা পোন আমার একমাত্র সন্তান। সে আপনাকে সাহায্য করবার জন্যই এসেছে।”

প্রফেসর বোস সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বিরাটকায় মানুষটির দিকে ফের তাকিয়ে দেখলেন একবার। তারপর বললেন, “কিন্তু-”

“আপনার সমস্ত কৌতুহলের জবাব আপনি পাবেন প্রফেসর,” কা পোনের মুখে মৃদু হাসি ফুটেছে এবার। লেজার পিস্তলটা প্রফেসরের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে সে মেঝের ওপর নিচু হয়ে বসে পড়ল তাঁর সামনে, “তবে প্রথম কৌতুহলটার জবাব প্রথমে দিয়ে নেয়া যাক। এই গুহাক্ষেত্রটির নীচে পৃথিবীর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট টাইটানিয়ামের ভাণ্ডার রয়েছে। এই এলাকায় এই ধাতুর উপস্থিতির আন্দাজ তার থাকলেও খনির সঠিক অবস্থানটা লাজলো নির্ণয় করতে পারে নি এখনো। সঠিক সন্ধানটা প্রথম পাবার জন্য সে যেকোন পথ ধরতে, যেকোন পরিমাণ অর্থ খরচ করতে তৈরি।”

“তাহলে আপনি এতদিন তাকে সে সন্ধান দেন নি কেন?”

কা পোনের ছোটো ছোটো চোখদুটো আরো ছোটো হয়ে উঠল কয়েক মুহূর্তের জন্য। খানিক বাদে মাথা নেড়ে সে বলল, “বাইরের দুনিয়া আমার ব্যাপারে একটা ভুল তথ্য জানে প্রফেসর। টাকার জন্য আমি সবকিছু করতে পারি তা ঠিক, কিন্তু এই পাহাড়টাকে আমি কিছুতেই বিক্রি করে দিতে পারি না। এই গুহাক্ষেত্রে আমি প্রথম পৃথিবীর আলো দেখেছিলাম। লাজলোর মাটি খোঁড়ার যন্ত্ররা এই পাহাড়কে ধ্বংস করে দিক তা আমি চাই না।”

কিছুক্ষণ সব চুপচাপ। তারপর নৈঃশব্দ ভাঙলেন সেই বৃদ্ধ, “তোমার ওপর সে বিশ্বাস আমার আছে বলেই আমি তোমাকে এই অতিথিদের খবর দিতে সাহস পেয়েছি।”

“তার মানে এই খনির খবর আপনিও—”

“এই সুকঠিন ধাতুর অস্তিত্ত্ব আমরা জানি। এই গুহাগ্রামের গভীরতম অঞ্চল থেকে তুলে আনা ওই ধাতুমিশ্রিত পাথর দিয়েই আমাদের অস্ত্রাদি তৈরি হয়। কিন্তু সে কারণে আমি কথাটা বলি নি।”

“তাহলে কেন-”

“এই গ্রহের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্রের কথা তুমি বলেছ, তা যদি সত্য হয় তাহলে এই গুহাগ্রামও রক্ষা পাবে না তার হাত থেকে। তাকে আটকাবার জন্য কা পোন যথাসাধ্য সাহায্য করবে সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত ছিলাম বলেই আমি তাকে তোমাদের খবর দিয়েছি।”

“ক্ষমা করবেন প্রফেসর বোস,” কা পোন হঠাৎ মাথা নিচু করে বলল, “কিন্তু আশা করি আপনি বুঝবেন, কেন আপনাকে ভালো করে আগে পরীক্ষা করে নেবার প্রয়োজন ছিল। এই এলাকার প্রতি এখন শুধু লাজলোই আগ্রহী তা নয়। অস্বীকার করব না, মঙ্গল উপনিবেশকে অস্ত্র ও অন্যান্য রসদের বে আইনি সরবরাহ করাটা আমার মত চোরাই চালানকারীদের কাছে লাভজনক ব্যাবসা। কিন্তু এই এলাকায় কোন অপরিচিত মানুষের যে কোন খবরের জন্য যে চড়া মূল্যে দেবার প্রতিশ্রুতি তারা কয়েকদিন থেকে দিয়ে চলেছে পৃথিবীর সমস্ত গুপ্তসংস্থাকে তার পরিমাণের কাছে সে ব্যাবসার লাভের পরিমাণও তুচ্ছ হয়ে যায়। আমি নিজেও তাই কিছুকাল ধরে চোখকান খোলা রেখে চলেছি। কিন্তু আমার নিজের গ্রামেই যে–”

“আপনি কি তাহলে আমাদের-“ প্রফেসর হাতের অস্ত্রটি শক্ত করে চেপে ধরলেন।

“না। এইখানে আজ এসে পৌঁছোনোর আগে অবধি সে লোভ আমার মনে ছিল, তা আমি অস্বীকার করব না। কিন্তু, কেন তারা এ মূল্য দিতে প্রস্তুত হয়েছে তার কোন আন্দাজ আমাদের ছিল না। কিছুক্ষণ আগে বাবার কাছে সমস্ত ঘটনাটা আমি শুনেছি। আমি চোরাচালানের কাজ করে বেঁচে থাকি, কিন্তু আমার এই গ্রামকে, আমার গ্রহকে আমি ভালোবাসি প্রফেসর। কা পোন চি আপনাকে সমস্ত সহায়তা করবার জন্য তৈরি। বলুন, কী করতে হবে?”

একটা লম্বা শ্বাস ছাড়লেন প্রফেসর বোস, “একটা খবর দিয়ে আপনি আমার কাজ অনেক সহজ করে দিয়েছেন কা পোন চি। এইখানে টাইটানিয়ামের অফুরন্ত উৎস রয়েছে। আমার পরিকল্পনা সফল করে তোলবার জন্য এই ধাতুটিই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে। তবে প্রথমে একটা ছোটো কর্মীদল প্রয়োজন হবে আমার। আপনি-”

মৃদু হেসে মাথা নাড়ল কা পোন, “আমাকে সে দলের মধ্যে ধরবেন না প্রফেসর। আমি যা করব তা গোপনেই করতে হবে। এ গ্রামের মানুষজনকে না জানিয়ে। আমি এখানে-”

“না ক পোন। কাল থেকে তুমি আর এ গ্রামের পলাতক বাসিন্দা থাকবে না,” বৃদ্ধ মাথা নাড়লেন, “সময় বদলেছে। অস্তিত্ত্বরক্ষার প্রয়োজনে যে আইন আমাদের পূর্বজরা তৈরি করেছিলেন, আজ সেই অস্তিত্ত্বরক্ষার প্রয়োজনেই সে আইন আমাদের বদলাতে হবে। আমি নিজে এই গ্রামের প্রধান হিসেবে সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

হঠাৎ উজ্জ্বল হয়ে উঠল কা পোনের মুখটা। সেখান থেকে নিষ্ঠুরতা আর ধূর্ততার মুখোশটা এক মুহূর্তে কে যেন সরিয়ে নিয়ে গেছে। ছোটো চোখদুটি খুশিতে চিকমিকিয়ে শক্তিশালী হাতের ভেতর প্রফেসর বোসের হাতদুটোকে জড়িয়ে ধরে সে বলল, “ইউরোপার অন্ধকার সমুদ্রের টারমক শিকার করেছি আমি। কিন্তু সেদিনও এত আনন্দ আমি পাইনি। এতগুলো বছর বাদে আরো একবার সবার সামনে এই গ্রামের পথে আমি—শুধু আপনার জন্য –আপনাকে ধন্যবাদ প্রফেসর। কা পোন আপনার কাছে চিরকাল ঋণী হয়ে থাকবে।”

তার গলার গমগমে আওয়াজ গুহার ভেতরে প্রতিধ্বনি তুলছিল। হঠাৎ সেই আওয়াজে চোখ মেলে লাফ দিয়ে উঠে বসল জিষ্ণু। তারপর প্রফেসর বোসের হাত ধরে থাকা অতিকায় মানুষটাকে দেখে একটা চিৎকার করে এসে লাফ দিয়ে পড়ল তার পিঠের ওপর।

মুহূর্তের মধ্যে অতবড়ো শরীরটাকে আশ্চর্য নমনীয়তায় বেঁকিয়ে নিয়ে হাতদুটো পেছনদিকে ঘুরিয়ে তাকে আলতো করে কোলের ওপর টেনে আনল টারমক শিকারী দুর্ধর্ষ মানুষটা, তারপর তাকে বুকের সঙ্গে জড়িয়ে ধরে ফের যখন কথা বলল, তখন তার কর্কশ গলায় এক আশ্চর্য কোমলতা ছিল, “তোমার নাম তো জিষ্ণু। আমি জানি। আমার কা পোন চি। আজ থেকে আমি তোমার বন্ধু। আমি একজন ভালো শিকারী। আমার সঙ্গে পাখি ধরতে যাবে নাকি?”

ক্রমশ

1 Response to ধারাবাহিক উপন্যাস-অন্তিম অভিযান-পিটার বিশ্বাস

  1. পিংব্যাকঃ জয়ঢাক(নতুন) বর্ষা ২০১৫-সম্পূর্ণ সূচিপত্র | এসো পড়ি। মজা করি

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s