বনের ডায়েরি ভারতের মানুষ না মানুষের গল্প লকউড কিপলিং পিয়ালী চক্রবর্তী

আগের পর্বগুলো

bonerdiary03

গাধা(দ্বিতীয় পর্ব)

বসন্তের দেবী শীতলার বাহন হবার জন্য গাধার যে কলঙ্ক সে তো আগেই বলা হয়েছে। হয়ত নিম্নসম্প্রদায়ের আদিবাসী হওয়ার জন্য এই দেবী দুর্গা বা ধ্বংসাত্মক কালীর দশটি রূপের একটি না হলেও,এর দেবীত্বকে ভীষণ আতঙ্কজনক ভাবা হয়। একে সবাই ভয় করে,বসন্তের মহামারী হলে একে কখনই পুজো করা হয় না,আর যেটুকু হয় তা শুধু মহিলা বা শিশুদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

তারা হয়ত কখনও গাধার দিকে একটু শস্যদানা ছুঁড়ে দেয়,কিন্তু আদপে হতভাগ্য গাধা শীতলার বাহন হবার জন্য কোন সম্মানই পায় না। অথচ ষাঁড়কে দেখ,শিব বা মহাদেবের বাহন তো,তাই তার কত খাতির, ত পুজো,খাওয়াদাওয়া,আর এইসব করে বেশি হিন্দু ভিখারীরা, যারা ওকে ‘নন্দী’ বলে ডাকে। এর মানে ‘যে খুব খুশি।’

আসলে হিন্দু মন্দিরের সামনে যে পাথরের ষাঁড়ের মূর্তি থাকে অথবা ছোট ধাতব মূর্তি, যেগুলো পারিবারিক শিবমূর্তির সামিয়ানার অবলম্বন হিসেবে থাকে,তাদের এই ‘নন্দী’ নাম দেওয়া হয়।  

মিস্টার ইব্বেস্টন তাঁর ‘আউটলাইনস অফ পাঞ্জাব এথনোগ্রাফি’ বইটিতে লিখেছেন, “এইসব দেবীদের (রোগের) কোন পুরুষ কখনও পূজা নিবেদন করেন না, শুধুমাত্র মহিলারা এবং শিশুরাই করে, এবং তারা অনেকেই শীতলার থানে বিখ্যাত সপ্তমী পুজোতে অংশ নেয়। সব গ্রামেই এমন এক একটি শীতলার থান থাকে। আর সেখানে যা নৈবেদ্য দেওয়া সব হল অশুদ্ধ। শীতলার বাহন হল গাধা, তাই গাধার এবং তার মালিক কুমোরের দিকে শস্য ছুঁড়ে দেওয়া হয় শিশুদের মাথার ওপর থেকে। পাখি, শূকর, ছাগল ইত্যাদি ভেট হিসাবে দেওয়া হয়, কালো কুকুর খাওয়া হয়, সাদা মোরগকে দুলিয়ে দুলিয়ে দেওয়া হয়। একজন প্রাপ্তবয়স্ক যার গুটিবসন্ত সবে সেরেছে, তাকে একটা শূকর দিতে হবে নাহলে তার আবার গুটিবসন্ত সংক্রমণের আশঙ্কা থাকবে। কিন্তু সংক্রমণের সময় কেউ তাকে পূজা করে না, যদি গ্রামে মহামারীও হয় তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত সেটা ঠিক হচ্ছে, ততদিন দেবীর পূজা হয়না। তাই যতক্ষণ না এই দেবী তার হাত উপুড় করে কিছু না দিচ্ছে, ততক্ষণই সব ভাল। এইসবের জন্য শীতলা, ভারতীয় মায়েদের কাছে এক বিভীষিকা।’

আগেকার দিনে, ভীষণ বদরাগী কাজিরা, অপরাধীদের একধরণের শাস্তি দিত। তাদের জামাকাপড় ছিঁড়ে, মাথা ন্যাড়া করে, গায়ে কালি মাখিয়ে গাধার ওপর বসিয়ে ঘোরান হত। গাধার লেজের দিকে মুখ করে বসে থাকতে হত আর গলায় ঝোলান থাকত জুতোর মালা। আমার এক শিখ বন্ধু এইসব নিজের চোখে দেখেছিল। আর যদি সে চোর হয় তাহলে তো হাত, কান বা নাক কাটা যেত। একেবারে পশ্চিমের মুসলিম দেশগুলিতে এখনও এই প্রথার প্রচলন আছে। এমনকি ভারতের প্রত্যন্ত গ্রামেও একজন বদমাশ লোককে এই শাস্তি দেওয়া হয়, আবার তার সাথে জোরে জোরে ঢোল, করতাল বাজান হয়।

টমাস হার্ডির ‘মেয়র অফ ক্যাস্টারব্রিজ’এ দক্ষিণ ইংল্যান্ডে এরকম ‘গাধায় চাপা’র বর্ণনা আছে। এমনকি গাধার পিছনে এদের প্রতিকৃতি অব্দি রেখে দেওয়া হত। তবে অপরাধীগুলোও কিছু কম নির্লজ্জ হত না, তারা এই অবস্থায় গোটা গ্রাম ঘোরার পর আবার গাধাটাকে উপরি পাওনা বলে চেয়ে নিত। লোককথায় আছে যে, প্রতারক স্ত্রীদের নাক কেটে এরকম গাধার পিঠে চাপিয়ে দেওয়া হত। হিতোপদেশের সময়েও দাম্পত্য সমস্যার এই একটাই শাস্তি ছিল। আর একটা সপ্তাহও এমন কাটত না, যেখানে বিচার সভায় কারুর এই শাস্তি হত না। আর সব শাস্তিই ছিল স্ত্রীদের জন্য, তাদের তো নাক যেতই, কিন্তু সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল, এই নারকীয় ব্যাপারগুলো কখনও আলোয় আসেনি, সবসময় অন্তরালে থেকে গেছে।      

একটা অত্যন্ত অপমানজনক প্রথা আছে, যেটা প্রমাণ করে সরল গাধাকে কীভাবে ব্যবহার করা হয়। যদি এমন কোন জমি থাকে যেটা কোন হিন্দুধর্মের কোন অলঙ্ঘনীয় কারণের জন্য চাষের অযোগ্য, এখানে চাষ-আবাদ করতে হলে গাধাকে দিয়ে হাল টানানো হয়। কিন্তু যখন একে পুনরায় শোধন করানোর দরকার হয়, তখন ভগবানের অবতার হিসাবে হাতিকে নিয়ে আসা হয় হাল টানাতে। “তোদের জমি যেন গাধায় চাষ করে” এ হল হিন্দুসমাজে প্রচলিত অভিশাপ।

গাধাকে জাতি-ধর্মের চিরকালীন দ্বন্দ্বের মধ্যেও ব্যবহার করা হয়, যা চিরকাল ভারতকে নানাভাবে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। ইংরেজ শাসনের আগে, উত্তর পশ্চিমে যেখানে মুসলমানদের প্রাধান্য ছিল, সেখানে হিন্দুদের পূর্ণদৈর্ঘ্যের পাগড়ি পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল এমনকি তাদের শুধুই গাধার পিঠে চাপার অধিকার ছিল। আবার কচ্ছ ভুজ রাজ্যে, যেখানে হিন্দুদের বাস বেশি, সেখানে মুসলিম বোরাদের ঘোড়ার পিঠে চাপতে দেওয়া হতনা, এই অক্ষমতাকে ১৮৯০তে অপসারণ করা হয়েছিল। বোরাদের প্রতি এই যে অবিচার, যতটা ভাবা হয়, অতদিন চলেনি, কিন্তু তাও নিচু জাত বলে তাদের রেয়াত করা হত না, যদিও তাদের মধ্যে বম্বে প্রেসেডেন্সিতে বেশ কিছু বুদ্ধিমান, প্রখ্যাত ও ধনী ব্যক্তি ছিলেন। কিন্তু এসব ব্যাপারে হিন্দুদের তুলনায় মুসলমানরা অনেক বেশি অত্যাচারী ও অসহিষ্ণু। এইসময় মরক্কোর কিছু অংশে জিউদের ওপরও এইরকম আদেশ ছিল, তারা লেজের দিকে মুখ করে গাধার পিঠে চাপত আর জুতো পরতে পারত না।

ছোটখাট জায়গায় উঁচু জাতের মানুষের মধ্যে একটা জাতিগত গর্ববোধ থাকে। চামড়া পরিহিত উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষেরা, স্বভাবতই একটু নিম্নবর্ণের বলে গণ্য হয়ে থাকে। কিন্তু যখন আমাদের সম্প্রদায়ের এক মহিলা, এইরকম একজন মানুষের কাছ থেকে তার ছোট্ট ছেলের জন্য গাধা চেয়েছিল, তাকে তার সহিসের কাছ থেকে যা জবাব পেতে হয়েছিল, শুনলে আশ্চর্য লাগে। “না মহাশয়া, আমার ছেলে গাধার ওপর বসে অপেক্ষা করবে না, আপনি বরং কুমোরের কাছ থেকে নিয়ে আসুন, আর সেই গাধা যেন আমাদের আস্তাবলের ধারেও না আসে।”

bonerdiary02-medium

এই পূর্বের দেশগুলোই হয়ত বাকি সব দেশকে শিখিয়েছে যে গাধা নামটার মধ্যেই একটা ভর্ৎসনা লুকিয়ে আছে। ‘গাধা’ শব্দটা লোকের মুখে মুখে ফেরে। ‘লেজবিহীন গাধা’ বলা তো অভ্যেসের ব্যাপার। কোন এক বোকা যদি আরেকজন বোকার প্রশংসা করে, তখন সবাই বলে ‘গাধা গাধাকে খোঁচাচ্ছে’। এমনকি গার্হস্থের ফন্দিফিকির বোঝাতেও এই কথাই বলা হয়। বোকাদের মাথায় যেটা ঢোকে না, সেটা সম্বন্ধে বলতে হলে বলা হয় ‘গাধাকে যতই চান করাও, তাকে বাছুর বানাতে পারবে না’ অথবা ‘হামানদিস্তায় পিষলেও গাধা কখনও ঘোড়া হবে না’। মুসলমানরা বলে ‘যিশুর গাধা মক্কায় গেলেও গাধা হয়েই ফেরত আসবে’।

আফগান লোককথার একটা গল্প অনুযায়ী, পাঞ্জাবে ফেরিতে ওঠার জন্য অনেক মানুষ আর পশুরা এসে জড়ো হয়েছে। নৌকা এসে ভিড়েছে, সবাই নির্দ্বিধায় উঠে পড়ল, শুধু গাধা অনড়। তার চালক চেষ্টা করছে, মাঝি ডাকছে, কিন্তু গাধা আর নড়ে না। সেইসময় ভিড়ের মধ্যে থেকে এগিয়ে এল এক আফগান, বার করল তার ছোরা, আর খচ করে কেটে দিল গাধার গলা। তারপর বলল “এরকম অবাধ্যতা একজন আফগান করলে মানায়, কিন্তু একটা গাধা করলে, কক্ষণও না।”   

আবার আফগানদের প্রতিবেশী বালোচদের মধ্যে গাধার একটা সম্মান আছে। সেখানে পুত্রসন্তান জন্ম নিলে, গাধার খোঁড়া জল, তলোয়ারের মুখ থেকে একফোঁটা জল ওই শিশুর মুখে ফেলা হয় স্তন্যপানের আগে। এটা পিতৃতন্ত্রের একটা প্রকাশ। যারা ‘ভারতের মানুষ’ সম্পর্কে লিখতে গিয়ে শুধু একতার কথা বলে, তারা আসলে জাতিগত বিদ্বেষের ব্যাপারটাকে এড়িয়ে যায়। যেমন একজন হিন্দুস্তানী, একজন পাঞ্জাবী সম্পর্কে বলবেন ‘একটা দেশী গাধা যে পাঞ্জাবীতে ডাকে’। আবার পাঞ্জাবীও প্রতিহিংসা দেখিয়ে বলবে ‘গাধাটা ঠিক পূর্বদেশীয়দের মত নিস্তেজ’। আবার বাঙালিবাবুরা, যারা ভীষণভাবে ইংরেজদের ভাষা আর কায়দা অনুকরণ করে, তারা বলবে ‘একটি পার্বত্য ইংরেজ গাধা’।

জানোয়ারটার কোন কদর না থাকলেও তার দুধের পুষ্টিগুণ যথেষ্ট। কুমোরের পরিবার গাধার শাবক বেচে ভালই লাভ করে, অথচ উচ্চজাতের হিন্দুরা এমন একটা ভান করে যেন ব্যাপারটা খুব জঘন্য। তেলুগু সাহিত্যের জনপ্রিয় প্রবক্তা সাধু ভেমানার উক্তি হল  “এক চামচ গরুর দুধ যথেষ্ট, কিন্তু একপাত্র গাধার দুধের কী ব্যবহার?”

অনেক হিন্দুরা বলে থাকেন যে যেকোন পরিস্থিতিতে এই তরলের ব্যবহার অসম্ভব। কিন্তু এইখানে বাদ সাধল চিকিৎসাবিজ্ঞান, জাতপাত সরিয়ে রেখে তারা আবিষ্কার করল গাধার দুধের ওষধি গুণ। গাধার দুধ মিশিয়ে তৈরি হল অনেক যৌগ যা রোগ প্রতিরোধী। ইংরেজ ওষুধ প্রস্তুতকারকরা এর গুণাবলী ব্যাখ্যা করেছেন। গাধার দুধ থাইসিসের মত রোগ প্রতিরোধে ব্যবহার হয়, যদিও খুব বেশি দেরি হয়ে গেলে আর কিছুই কাজে লাগে না।  

কিন্তু কিছু জায়গায় গাধারও বেশ সম্মান আছে দেবী শীতলার বাহন হিসাবে। অনেক জায়গায় নবদম্পতি তাদের বিয়ের যাত্রা শুরু করার সময়, একটুখানির জন্য হলেও গাধার পিঠে চাপেন দেবী শীতলাকে তুষ্ট করতে। কিন্তু কথায় বলে এটা নাকি একধরণের সহমর্মিতা দেখানো হয়। ‘গাধার সৌন্দর্য’ নিয়ে কিছু ইটালিয়ান আর ফ্রেঞ্চ প্রবাদে বলে ‘ একটি স্ত্রী গাধাও সুন্দর হয়, যখন সে অল্পবয়সী থাকে’। তার পায়ের জোর নিয়ে এমনও বলা হয় ‘একটি গাধা পাহাড়কেও জীর্ণ করে দিতে পারে যদি তুমি একটি পাখির কান চিরে দিতে পার।’ কিন্তু এই হতভাগ্যকেই সব কাজ হয়ে গেলে অবহেলায় সরিয়ে দেওয়া হয়। তাই তার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা প্রচলিত আছে। ‘গাধাকে হয়ত মেরে মেরে আঘাত দেওয়া হয়, শীতলার বাহন হওয়ার জন্য অনেক মানুষের রোষের শিকার হতে হয়, কিন্তু অন্তত তাকে দড়ি দিয়ে বা শক্ত বাঁধনে বাঁধা হয় না’। এই দীন-হীন হতভাগ্য জন্তুটার জীবনে এই একটাই স্বস্তি।

প্রাচীন ধ্যানধারণার সাথে লোকজীবনের চিন্তাভাবনার অনেক মিল পাওয়া যায় গাধার ক্ষেত্রে। এটি যত অবহেলিত জীবই হোক না কেন, যথেষ্ট উপকারী। কিছু কিছু জায়গায় একে হাল চালানোর কাজেও লাগানো হয়। যদিও এর প্রধান কাজ হল, ধোপার জামাকাপড় বয়ে নিয়ে যাওয়া। জ্বলন্ত বা নিভন্ত চুন, কুমোরের, নির্মাতার, ঠিকাদারের জন্য পাথর বওয়া। পশ্চিমে বড় বড় কাজ করেছে সব শক্তিশালী মানুষেরা, কিন্তু ভারতে রেলের কাজ, নদীর বাঁধ তৈরির কাজ, বড় বড় রাস্তা তৈরির কাজ সবই করানো হয় কুলি-মজুর মহিলাদের আর ছোট্ট গাধাকে দিয়ে। সভ্যতার চিহ্ন বহন করে যেসব শান্তিপূর্ণ সৌধগুলি, সেখানে হয়ত গাধার পায়ের চিহ্নই প্রথমবার পড়েছে, কিন্তু তার পিঠের বোঝা বহন করার সাধ্য নেই তার দুর্বল পায়ের। তার কর্কশ ডাক, তার প্রতিবাদকে ভাবা হয়েছে যেন সে জ্বালাতন করবে বলে মতলব আঁটছে, আর তাকে তখনই বারবার আহত করা হয়েছে। লাঠির গায়ে বারবার তাকেই শহীদ হতে হয়েছে, আর যখনই তার জোর কমে গেছে, তাকে নির্লজ্জের মত পরিত্যাগ করা হয়েছে।

একটা দেশীয় গল্পও আছে, অনেকটা লংফেলোর ‘টেলস অফ ওয়েসাইড ইন’ এর গল্পের মতই, যেখানে বলা হয় এক ভারতীয় রাজা নাকি গাধাদের ব্যাপারে খুব সহৃদয় ছিলেন। সম্রাট জাহাঙ্গীর নাকি তার সিংহাসনের সাথে একটি ঘন্টা ঝুলিয়ে রাখতেন, যাতে যে কেউ কোন ভুলের বিচারের জন্য সেটির দড়ি ধরে নাড়ালে তিনি শুনতে পান। একবার দেখা গেল এক গাধা, সেই দড়ির ওপর প্রবলভাবে মাথা ঘষছে আর ঘন্টা বাজছে। গাধাকে সিংহাসনের সামনে দাঁড় করিয়ে রেখে তার মালিককে খুঁজে আনার জন্য লোক পাঠানো হল। এক ধোপা এসে উপস্থিত হল আর সে স্বীকার করল যে এই বুড়ো গাধাকে অনাহারে মরার জন্য সে ছেড়ে দিয়েছে। তাকে তার নিষ্ঠুরতার গভীরতা বোঝান হল এবং বলা হল তার এই অনুগত ভৃত্যকে বাড়ি নিয়ে গিয়ে ভাল করে খাইয়ে, ভরণপোষণ করে কিছুদিন পর রাজসভায় নিয়ে আসতে। কিছুদিন পর সুস্থ, মোটা হয়ে গাধা এল বর্ষার মরসুমে। কিন্তু এই শিক্ষাতেও লাভ কিছু হল না, বরং এই নিষ্ঠুরতাকে ‘গাধার সমাধি’ বলেছিলেন প্রফেট জেরিমিয়া, যিনি নিজেও একইভাবে দীর্ঘদিন অনাহারে থেকে মারা যান।     

ক্রমশ

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

w

Connecting to %s