বিশ্বের জানালা রানি শেবার দেশে প্রসেনজিত চক্রবর্তী বসন্ত ২০১৯

  বিশ্বের জানালা       সব পর্ব একত্রে

প্রসেনজিত চক্রবর্ত্তী

ইয়েমেন দেশটা খুব একটা বেড়াতে যাবার জায়গা, এমনটা কোথাও শুনিনি। এমনকি গুগল বাবা’র কাছে সার্চ মারলেও খুব একটা কিছু বেরবে না। আমি নিজেও ১৯৯৮ এ আমার ওমান-বাস এর আগে ইয়েমেন এর নাম শুনিনি (ওমান হল ইয়েমেন-এর প্রতিবেশী)। এখন, যখন প্রায় প্রতিদিন-ই ইয়েমেন এর গৃহযুদ্ধ চলার খবর কাগজে পড়া বা টিভিতে দেখা যায়, তখনো কতজন পৃথিবীর ম্যাপ থেকে ইয়েমেন দেশটাকে একবারে খুঁজে বার করতে পারবে সে বিষয়ে আমার সন্দেহ আছে। অনেকেই হয়তো জানেন না, অতি-বিখ্যাত বা কুখ্যাত ওসামা বিন লাডেন এর ও জন্ম ইয়েমেন এই – তার ছিল দ্বৈত নাগরিকত্ব, সৌদি আরব আর ইয়েমেন এর।

এমন একটা আপাত-গুরুত্বহীন দেশেই আমাকে যেতে হয়েছিল কাজের সুত্রে ২০০৩ থেকে ২০০৫ এর মধ্যে – একবার, দুবার, নয়, ছ-ছবার। আমার শেষবার ইয়েমেন যাবার পরেও আরো তেরোটা বছর কেটে গেছে, এই লেখা টাও শুরু করেছিলাম বেশ তিন-চার বছর আগে, কিন্তু শেষ করিনি। এখন আবার নতুন করে  শুরু করলাম,  যা দেখেছি তার  অভিজ্ঞতা কিছুটা ভাগ করে নিতে। আজকে যা দেখছি টিভিতে বা রোজ যা কাগজে পড়ছি ইয়েমেন নিয়ে, ৫০ লক্ষ শিশু অনাহারে মৃত্যুশয্যায়, জানি না এ দায় কার, দেশটা কিন্তু সে-রকম ছিল না, অন্তত তেরো বছর আগে সত্যি একটু হলেও  অন্যরকম ছিল। মানুষগুলো ছিল ভালো, অন্য কয়েকটা মধ্যপ্রাচ্যের দেশের লোকেদের মতো ধনী নয়, কিন্তু উদ্ধতও নয়। বিশাল একটা ঐতিহ্য ছিল আর আছে দেশটার।

সেই ২০০৩-এ যখন প্রথমবার ইয়েমেন যাবার কথা হল, তার ও দু ’বছর আগে  ৯/১১ এর ঘটনা হয়ে গেছে, আর আমরা যাচ্ছিলাম আমাদের আমেরিকান কোম্পানির হয়ে, কিন্তু  দিল্লী থেকে।

তখন দিল্লি থেকে সরাসরি ইয়েমেন এর রাজধানী সানা যাবার কোনও ফ্লাইট ছিল না, হয়ত এখনো নেই, ছিল বম্বে থেকে ইয়েমেনিয়া। আমাদের তাই যাওয়া ঠিক হল দিল্লি থেকে দুবাই হয়ে সানা। আমার দুই সহযাত্রী হবেন আমার দুই  কর্তা, দুজনেই আমাদের বি ই কলেজ  এর অ্যালামনি, ইলেক্ট্রিক্যাল।

একজন দীপদা, আমার থেকে উনিশ বছরের বড়, সেই ১৯৬৮ সালের পাস-আউট, আর দ্বিতীয় জন, প্রভাতদা ১৯৭৪, ফিলাডেলফিয়া আর ইউ এস ইস্ট কোস্ট-এর অতি পরিচিত পুরোহিত।  ফিলাডেলফিয়াতে থাকার সময়ে মাঝে মাঝেই ওঁর থেকে পুজো’র প্রসাদ এর ভাগ পেয়েছি। আর একটা কমন জিনিস ছিল, দুজনেই কমপক্ষে ৬ফুট ২-৩ ইঞ্চি লম্বা, মানে, আমার মাথার ওপরেও বেশ একটু বেশি।

তখন আবার বাজারে SARS virus খুব চলছে, তাই আমাদের অ্যাপোলো হাসপাতাল এ গিয়ে টেস্ট করে আসতে হল, ভিসা’র আবেদন জমা দেবার আগে।

যাবার আগেই একটা জিনিস শুনেছিলাম, কিন্তু খুব একটা গুরুত্ব দিইনি – সানা’র উচ্চতা সমুদ্রতল থেকে ২৩০০মি ওপরে, মানে প্রায় ৭০০০ফুট, আমাদের দার্জিলিং এর উচ্চতা। সেবার গেছিলাম মে মাস-এ, দুবাইতে নামার সময় তাপমান শুনলাম ৫০ ডিগ্রি, ফুটন্ত, কিন্তু সেটাই সাধারন, জানি, কারণ তার আগে আমার চার বছর ওমান বাস হয়ে গেছে।

বিকেল বিকেল যখন সানাতে নামছি, প্লেন-এর জানলা দিয়ে নিচটা দেখছিলাম – খুব একটা চকচকে, ঝকঝকে নয়। অবশ্য সেটা আমার সদ্য সদ্য দুবাই বা মাস্কাট দেখা চোখে।  দুবাই বা মাস্কাট এর মত রাস্তা আর রাস্তার আলো ইউরোপ বা আমেরিকাতেও দেখিনি।

এয়ারপোর্ট-এ ইমিগ্রেশন ফর্ম ভরতে গিয়ে দেখি সে এক মহাভারত, তিন পাতা লিখতে হবে, নিজের নাম, বাবা’র নাম এর পরে ঠাকুরদাদা’র নাম ও লিখতে হবে। কারণটা  অবশ্য জানা, আরবিতে প্রপার নাউন, মানে নাম বাচক শব্দের  অভাব। একই প্রথম নামওয়ালা অজস্র লোক পাওয়া যাবে, তাই মাঝে ‘বিন’ (মেয়ে হলে ‘বিন্ত’) লিখে বাবা’র নাম, আবার ‘বিন’ লিখে দাদু’র নাম, তারপরে ‘আল’ লিখে পারিবারিক নাম, মানে আমাদের হিসেবে পদবি। তবে যদি দুটো লোকের নাম আলাদা করা যায়। টেলিফোন ডাইরেক্টরিতে দেখেছি শুধু “আলী”, আর  “মহম্মদ”, এই দুটো নাম দিয়ে অন্তত দুশো পাতা ভর্তি থাকত।

ডলার ভাঙাতে গিয়ে দেখি, তখন ইয়েমেনি রিয়াল এর দাম আমাদের টাকার প্রায় চারগুণ, প্রথমবার বোধ হয় ৪০ডলার ভাঙিয়েছিলাম, আর  অনেকগুলো নোংরা নোংরা নোট পেয়েছিলাম। বাইরে বেরিয়ে দেখি তাপমান অনেক কম, দুবাই্ বা বাকি মধ্য-প্রাচ্য এর থেকে অন্তত ২০ডিগ্রি কম। খান ১৫-২০ ট্যাক্সি বাইরে দাঁড়িয়ে আর তাদের মালিকরা লোক ডাকাডাকি করছে। যেটা নতুন দেখলাম, সব গাড়িগুলোই বিশাল বিশাল মার্সিডিজ, কিন্তু অন্তত ২৫-৩০ বছর পুরানো। আমাদের তখনকার কলকাতা’র ট্যাক্সি’র মতন, দরজা গুলো একটু জোরে বন্ধ করতে হয় আর সিট-এর নিচের স্প্রিংগুলো বেশ জানান  দেয়।

ইয়েমেন এর বিশেষত্ব বুঝতে শুরু করলাম পরের দিন সকাল থেকে। আমরা প্রায় জনাপঞ্চাশ বিদেশী একত্র হয়েছিলাম একটা International Tender  এর প্রথম Bidders’ Meet  আর Site Visit এর জন্য, বেশিরভাগই সাদা চামড়া। আমাদের জন্য দুটো বাস এসেছে, দুটোরই সামনের আর পেছনের সিট ভরতি, সব Automatic Rifle হাতে জওয়ান, দুটো বাস মিলিয়ে অন্তত ২০-২৫ জন।

বাস ছাড়ার সময় দেখি সামনে আর পিছনে দুটো হুড-খোলা জিপ, আর তাতে মেশিনগান মাউন্ট করা, কারণ তখন বুঝিনি। ইয়েমেন এর বিদ্যুৎমন্ত্রীও আমাদের সঙ্গে যাচ্ছেন, তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আলাদা। পরে জেনেছিলাম তখনকার ওদেশের Kidnapping এর বাজারে আমরা ছিলাম বিশেষ দামি। আমরা যে-সব Wilayet-এ (আমাদের হিসেবে রাজ্য) যাচ্ছি, বা মধ্যে দিয়ে যাবো, তাদের Wali রা (আমাদের হিসেবে রাজ্যপাল বা মুখ্যমন্ত্রী) ইচ্ছে করলেই আমাদের Kidnap করানোর ব্যবস্থা করতে পারেন। বিশেষ করে সাদা চামড়াদের দর আরো বেশি। ফলে সব জায়গাতেই আমাদের প্রথম কাজ ছিল সেখানকার ওয়ালিদের সঙ্গে সৌজন্য-সাক্ষাত ।

বাস চলতে শুরু করার পরে জানলা দিয়ে রাস্তায় তাকিয়ে দেখি সে আরেক দৃশ্য – প্রায় প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ এর পিঠে ঝুলছে একটা করে অটোমেটিক রাইফেল। একটা লোক দেখি হাতে প্যাকেট ঝুলিয়ে কিছু সব্জি বাজার করে যাচ্ছে, তারও পিঠে একটা রাইফেল ঝুলছে। তবে পরে ওরাই বলেছিল যে বেশিরভাগ রাইফেল-এই কোনও বুলেট নেই, ম্যাগাজিন তো নেই-ই।

আমাদের বাস এই ছিলেন একজন দ্রষ্টব্য ব্যক্তি – তিনি সম্পর্কে ওসামা বিন লাদেন এর ভাইপো, সৌদি আরব এর বিন-লাদেন Engineering & Construction Company-র এক বড়কর্তা। তখন ই শুনেছিলাম বিন-লাদেন কম্পানি সৌদি’র খুব বড় এক সংস্থা। সেই ভদ্রলোক এর ছিল দ্বৈত-নাগরিকত্ব, সৌদি আর ইয়েমেন। তাঁর বিখ্যাত কাকা’র ও ইয়েমেন-এই জন্ম, তারও ছিল দ্বৈত-নাগরিকত্ব।

আমি প্রথমবার ইয়েমেন গেছিলাম ২০০৩-এর মে মাসে, আর শেষবার ২০০-এর মে। এমনিতে সানা ছিল খুবই শান্ত-শিষ্ট, নির্ঝঞ্ঝাট শহর, দুবাই এর তুলনায় তো গ্রাম। সঙ্গে সাদা চামড়ার লোক না থাকলে, বা খুব বেশি শহরের বাইরে একা-দোকা ঘোরাফেরা না করলে কোনো সমস্যাই ছিল না। প্রথমবারের পরে আরো যে চারবার আমি গেছি, কখনো কোনো সমস্যায় পড়িনি, অত বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও দেখিনি। একবার, সম্ভবত ২০০৪ এর অক্টোবরে, আমাদের একটা মিটিং চলেছিল রাত তিনটে অবধি, একটা কারণ ছিল ওখানে লাঞ্চ-এর পরে অন্তত তিন-চার ঘণ্টা কোনো কাজ হয় না। কেন সেটা পরে লিখছি।

মিটিং ছিল সিমেন্স-এর সঙ্গে আর তাদের জার্মানি ফিরে যাবার প্লেন ছিল ভোরবেলা। বিকেল আর সন্ধেবেলা বাইরে ছিল সাধারণ তাপমান, কিন্তু ভোর তিনটেতে মিটিং শেষ করে বাইরে বেরতেই কেঁপে গেছি, এত ঠাণ্ডা হতে পারে ভাবিনি। গাড়িতে ঢুকে আমার দুই ছ-ফুটিয়া দাদাকে বললাম যে আমাকে একটু চেপে বসুন, তবে কাঁপুনি থামল। আসলে ঐ ২৩০০মি উচ্চতার ব্যাপারটা মাথায় ছিল না।

দুপুরে ৩-৪ ঘণ্টা কাজ না হবার ব্যাপারটা হল এইরকম – এই সময়টায় কোনো ইয়েমেনির সঙ্গে কাজের কথা বলা যায় না। ওই সময়টায় দেশের আপামর লোক, সে প্রেসিডেন্ট থেকে রাস্তা’র মজুর, সবাই “গাঠ” এর নেশা করে। গাঠ কিন্তু কোনো পানীয় বা চলতি মাদক নয়, একরকম গাছ এর সবুজ পাতা। লোকে পাতা চিবিয়ে মুখের পাশে জমা করে রাখে। এমনি একটা পাতা চিবিয়ে দেখলে মুখে একটা তিক্ত, কষায় স্বাদ ছাড়া আর কিছু বোঝা যায় না। ওদের কাছে শুনেছি, ওই মুখের মধ্যে অনেকক্ষণ রেখে দেওয়াতেই নাকি আসল খেলা। আক্ষরিক অর্থে দেশের সবাই এই নেশাটা করেন এবং রোজ করেন। যদিও ‘রমজান’ (ওদের ভাষায় রমাদান, আরবি তে ‘J’ নেই) মাসে কী করে জানা নেই, ওই একটা মাস তো দিনের বেলায় নির্জলা উপোস।

গল্পর সঙ্গে একটু ছোট্ট করে ইতিহাস ও যোগ করার চেষ্টা করতে গিয়ে বলি, আজকের ইয়েমেন দেশটার সম্পর্কে টিভিতে দেখে বা কাগজে পড়ে জানলে কিন্তু আদতে দেশটার সম্পর্কে কিছুই জানা হয় না। ইয়েমেন অতি প্রাচীন দেশ আর তার সভ্যতা ও অতি প্রাচীন, ১২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ এও সেখানে মানুষ এর অস্তিত্ব ছিল।  যারা ইহুদিদের ইতিহাস পড়েছেন, বা কিং সলোমন’ স মাইনস পড়েছেন, বা সিনেমা দেখেছেন তাঁরা নিশ্চিত রানি শেবার কথা মনে করতে পারবেন। সেই রানি শেবা ছিলেন ইয়েমেন এর রানি – আজ ও মারিব নামে একটা জায়গাতে রানি শেবা’র একটা মন্দির এর ধ্বংসাবশেষ আছে।

রানি শেবা জেরুজালেম গেছিলেন ৫৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে, অনেক সোনা, দামি পাথর আর মশলা নিয়ে। রাজা সলোমনকে অনেক প্রশ্ন করেছিলেন। রানি শেবা’র সিংহাসন চলে গেছিল তাঁর যাবার অনেক আগে। রোমানরা ইয়েমেন দখল করেছিল প্রথম শতাব্দীতে, আর তার পরে ইয়েমেন ছিল বাইজান্টাইনদের আর অটোমান তুর্কদের দখলে। ৬৩০ খ্রিস্টাব্দ তেই মহম্মদ-এর এক ভাই-এর মাধ্যমে ইয়েমেন-এ ইসলাম এর প্রচার হয়। আসলে তখন ইয়েমেন ছিল সৌদি আরব এর থেকে অনেক উন্নত, আর সৌদি আরব দেশটাই তো তখনো তৈরি হয়নি।

মধ্যযুগে অটোমান তুর্ক আর মিশরীয়দের ইয়েমেন-এ রাজত্ব করার সময় থেকেই ‘সানা’ আর ‘এডেন’ এ আলাদা রাজবংশের রাজত্ব করা শুরু হয়েছিল। মাঝে কিছুদিন পর্তুগিজদের হামলা চলার পরে ১৮৩০ সাল নাগাদ ব্রিটিশরা এডেন দখল করে নেয় আর তাদের রাজত্ব চলে ১৯৬৭ পর্যন্ত। এই সময়টায় ছিল স্টিম জাহাজ-এর রমরমা, আর ভারত বা এশিয়া থেকে ইউরোপ-এর দিকে যাওয়া সব জাহাজকেই এডেন-এ থামতে হত কয়লা নেবার জন্য। তারপর যখন সুয়েজ খাল চালু হল তখনও এডেন-এ জাহাজ থামতে হত, আর লোকে ওখানে নেমে ট্রেন-এ চেপে পোর্ট সইদ পর্যন্ত চলে গিয়ে আবার সেই একই জাহাজ চেপে ইউরোপ যেত, মাঝে মিশরটাও দেখা হয়ে যেত। সৈয়দ মুজতবা আলী’র বই তে এই রাস্তা’র বর্ণনা আছে। ১৯৬৭-এর পর থেকেই সাউথ ইয়েমেন আলাদা দেশ, রাজধানী এডেন। নর্থ ইয়েমেন ছিল ইমামদের রাজত্ব, সানাতে রাজধানী। কিন্তু আসলে দেশটা ছিল মিশর-এর প্রথম প্রেসিডেন্ট নাসের-এর শাসনে।

১৯৭৮ এই দুটো দেশ একসঙ্গে মিলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়, আর সেটা চলে ১৯৯০ পর্যন্ত। তখনই হয়েছিল এই সব অজস্র অস্ত্রের আমদানি। সাউথ ইয়েমেন-এর নিয়ন্তা হয়েছিল রাশিয়া, আর যথারীতি, উল্টোপক্ষ নর্থ ইয়েমেন-এর দখলদার হয়েছিল আমেরিকা, সৌদি আরব-এর মাধ্যমে। দুটো দেশ মিলে যাবার পর প্রায় ২০-২২ বছর মোটামুটি একটা ব্যবস্থা চলছিল, কিন্তু ফারাকটা বজায় ছিল। উত্তরে ছিল সামান্য তেল আর গ্যাস, দক্ষিণের ছিল এডেন পোর্ট আর পুরানো শিক্ষা, ঐতিহ্য। এডেন-এর শিবমন্দির আমিও দেখেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই পুরানো সিয়া-সুন্নি, বা ইরান-সৌদি ঝগড়া ইয়েমেন দেশটারও শেষদিন এনে দিল। আজকে তো পুরো দেশটাই একটা ধ্বংসস্তূপ, মানুষগুলো কী করে বেঁচে থাকবে তাই নিয়ে কেউ চিন্তিত নয়। এক দিকে হাউথি বিদ্রোহীরা, ইরান এর সমর্থন নিয়ে লড়ছে, অন্যদিকে সৌদি। দেশটা গেল রসাতলে, মাঝে পড়ে রইল উলুখাগড়ার দল, দেশের মানুষগুলো ।

ছবিঃ লেখক

    বিশ্বের জানালা       সব পর্ব একত্রে

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s