ভ্রমণ বেইরুটের গপ্পো যশোধরা রায়চৌধুরী শরৎ ২০১৯

যশোধরা রায়চৌধুরীর সমস্ত লেখা একসঙ্গে

বেইরুটের গপ্পো

যশোধরা রায়চৌধুরী

৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

আহা আহা আহা রে! যদি আমি হতাম বেইরুটের বেড়াল। কত ভাল হত। তাইনা? আদরে থাকতাম। অলিগলিতে পথে পথে অসংখ্য বেড়াল। নির্ভীক ও সলজ্জ দু’ধরণের বেড়াল দেখা গেল পথে।
এখানকার বেড়াল সব কাবুলি বেড়াল। ফ্লাফি ফ্লাফি… কাবুলের কাছাকাছি এসে গেছি কিনা। লোম ঝুমঝুম বা কাবুলি বেড়ালেরা সচরাচর গম রঙা, পাটকিল রঙা সোনালি রঙা। অন্যেরাও, ছাঁটা লোমের বদমাইশ স্মার্ট দেখতে, কালো ডোরাকাটা, বাঘের মত দেখতে ট্যাবি ক্যাট যার কপালে তিলক কাটা, এরাও আছে। পার্কে খেলে বেড়াচ্ছে। রাস্তায় বসে আছে।
বেইরুটে এসে প্রথম এটাই খেয়াল করলাম। এটা নাকি আরব দেশ। অথচ টাকাপয়সা হয় ডলারে। অনেকেই ভাল ইংরেজি বলে। আবার পথ নির্দেশ লেখা ফরাসিতে। ট্যাক্সি চালায় বৃদ্ধরা, সবাই হুশ হাস করে আরবি বলে আর বেজায় ঠকায় পারলেই। যেই বুঝবে তুমি বোকা টুরিস্ট।
কিন্তু এই বেড়াল,এত ভারি মজার। পাঁচমিনিট রাস্তায় হাঁটলেই পাঁচটা বেড়ালের দেখা মিলবেই।

ছোট বড় কফিশপ, মুদি দোকানের সামনে। কে না জানে বেইরুট বাসী রা ভীষণ কফি খেতে ভালবাসে, তাই দুধ ত থাকেই দোকানে। আর সে দুধ ছোট বাটিতে ঢেলে রাখা থাকে দোকানের সামনে। আর কেউ হাই হুই করে তাড়ায় না বলেই, সাহসী, মানুষকে ভয় না করা ডাঁটিয়াল বেড়ালেরা ঘুরে ঘুরে বেড়ায় দিব্বি পথে ঘাটে, অচেনা টুরিস্টের হাতে ধরাও দেয় অনায়াসে।
আসলে আরবদের সঙ্গে এবং মুসলমানদের ধর্মের সঙ্গে বেড়ালের বহুদিনের ভালবাসাবাসি। মক্কায় নাকি হাজার হাজার বেড়াল। আরব দেশে বেড়ালদের কদর আছে। কেউ দূর দূর ছাই ছাই করেনা। উল্টে দুধ মাছ দেয়।
ছোট্ট রুটির দোকান, চালান আরবি বৃদ্ধ। এক ফোঁটা ইংরেজি না বলতে পারা আরবি কইয়েদের জাত্যাভিমানের সূচক কিনা কে জানে। কালচে পুরনো বাড়ির ছোট্ট সামনের দিকের দোকানটায় চাল ডাল তেল নুন পাবে, সঙ্গে রুটি বিস্কুট পাউরুটি বান কেক সব রকম। বাইরে রাখা থাকে পোঁটলা করে করে প্লাস্টিকে ঢাকা রুটি। কেউ তুলে নিয়ে যায়না, চোর ছ্যাঁচোড় নেই। শুধু এক খান মোটকাসোটকা বেড়াল বসে থাকে। গাল ফুলিয়ে। তার জন্য রাখা থাকে প্লাস্টিকের বাটিতে জল। সকালে যাবার পথে দেখি ক্যাটফুড রাখা। কে দিয়ে গেছে কে জানে। বিকেলে দেখি ফাঁকা বাটি, তাতে দুধ লেগে আছে। হয়ত দোকানদার নিজেই দিয়েছে।
সেই দোকানের ভেতরে একদিন রুটি কিনছি। ও মা! সে রুটি কত রকমের জান না? কোনটা গোল গোল, ভেতরটা ফাঁকা, ফুচকার মত। ওপরে তিল ছড়ানো। অসামান্য খেতে। কোনটা বিশাল আটারুটির মত। ওগুলোর ভেতরেই মাংস, মেয়নিজ আর প্রচুর স্যালাড ভরে দিলে হয়ে যাবে শাওয়ারমা রোল। কোনটা একেবারে চৌকো আকারের আটারুটি। তাছাড়া মোটা পিটা ব্রেড, হালকা রুমালির মত গোটানো রুটিও আছে।
তা রুটির দোকানের ভেতরে ঢুকেই যে দেখিলাম যুদ্ধ পরিস্থিতি। দুই বেড়ালের মারামারি। এলাকা দখলের যুদ্ধ। মনে পড়ে গেল সুকুমার রায়ের কবিতা।

খিল্খিল্লির মুল্লুকেতে থাকত নাকি দুই বেড়াল,
একটা শুধায় আরেকটাকে, “তুই বেড়াল না মুই বেড়াল?”
তাই থেকে হয় তর্ক শুরু, চীৎকারে তার ভূত পালায়,
আঁচড় কামড় চর্কিবাজী ধাঁই চটাপট চড় চালায়।
খাম্চা খাবল ডাইনে বাঁয়ে হুড়মুড়িয়ে হুলোর মতো,
উড়ল রোঁয়া চারদিকেতে রাম্-ধুনুরীর তুলোর মতো।
তর্ক যখন শন্ত হল, ক্ষান্ত হল আঁচড় দাগা,
থাকত দুটো আস্ত বেড়াল, রইল দুটো ল্যাজের ডগা।

এদের অবশ্য একজন ছুট্টে বেরিয়ে গেছিল তাই রক্ষে। অন্যজন গোল গোল চোখ করে তাকিয়ে আমাদের প্রায় ভস্ম করে দিচ্ছিল আরেকটু হলে।
একটা কফিশপের দেওয়ালেও বিশাল বেড়ালের ছবি আঁকা দেখে বুঝলাম, বেড়াল এখানে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রাণী।

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

বেইরুট থেকে গেলাম আমরা টায়ার সমুদ্রতীরে। টায়ার আসলে নয়, আসল উচ্চারণ ত্যীর। রোমান অক্ষরে বানান TYRE…
“ভারতসমুদ্রের তীরে
কিংবা ভূমধ্যসাগরের কিনারে
অথবা টায়ার সিন্ধুর পারে
আজ নেই, কোনো এক নগরী ছিল একদিন,
কোনো এক প্রাসাদ ছিল
মূল্যবান আসবাবে ভরা এক প্রাসাদ
পারস্য গালিচা, কাশ্মিরী শাল, বেরিন তরঙ্গের নিটোল মুক্তা প্রবাল…”        জীবনানন্দ দাশ
এই সেই টায়ার বা ত্যির। স্থানীয় নাম স্যুর। পথে পথে বিশাল করে লেখা আই লাভ স্যুর।


লেবানন একটা সরু লম্বাটে জিনিস। পড়ে আছে ভূমধ্যসাগর বরাবর। এবার ভূমধ্য সাগরের তীর ধরে লম্বা লম্বা হাই ওয়ে চলে গেছে। আমরা গেলাম সাউথ অফ লেবানন, রাস্তা এতটাই ভাল যে দেড় দু ঘন্টায় আরামসে পৌঁছে গেলাম।

আমরা যে সময়ে লেবাননে এসেছি রোজ বৃষ্টি। কোন থামা নেই। বিশেষত শনি রবিবারে আরো বেশি বৃষ্টি পড়ছে। এমনি সমুদ্রের ধারে যে অতি উন্নত একটা স্ট্র্যান্ড বানানো আছে সেখানে হাঁটতে শুরু করেই বৃষ্টি শুরু হল। তারপর একটা ছোট রেস্তোরাঁয় ঢুকতেই শুনি সেই ছোট্টবেলায় শোনা ফেইরুজের আরবি প্রেম সংগীত হচ্ছে। কী ভাল যে লাগল। গলা কাঁপানো সুরেলা ফেইরুজ। আরবের নাইটিংগেল চল্লিশের দশকের। আমরা তাঁকে ষাটের দশকে শুনেছিলাম। এখনো বেইরুট তাঁর এসব গানে মগ্ন আছে, বোঝাই গেল। রেস্তোরাঁয় তাঁর গান বেজেই চলেছে।
যাহোক, ত্যীরের কথা বলি। এ এক প্রাচীন শহর, বা শহরের ধ্বংসাবশেষ। অসামান্য সুন্দর। বেইরুট থেকে ৮৩ কিলোমিটার দক্ষিণে।
প্রথমে বৃষ্টিতে আবার বিরক্ত হয়ে, তারপর আবার রোদ্দুর ওঠার পর দুরন্ত সুন্দর গ্রীক স্তম্ভ ও রুইনস, ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট দেখলাম। টায়ার আসলে সমুদ্রতীরের ফিনিশিয়ান শহর। অনেক ব্যবসা বাণিজ্যে নাম ছিল ফিনিশিয় দের। খ্রীষ্ট পূর্ব পঞ্চম শতকে হেরোডোটাস গিয়ে দেখেছিলেন এ শহর একেবারে জমজমাট , অনেক বাড়ি ঘর দোর।
এখন সেসব নেই। কিছু কিছু জায়গায় ভাঙা স্তূপে পাথর আছে। আর আছে এই যে খন্ডহর , বলা হয় এটা গ্রিকদের, আরো বিশেষ করে বললে, আলেকজান্দারের বানান। গ্রিকরা দখল করে এ শহর, পরে রোমানরাও। কত হাজার বছরের ইতিহাস, ভাবা যায়?
এখনো ডিজাইনগুলো অক্ষত, ভাঙা স্তম্ভ পড়ে গেছে কয়েকটা, বাকিরা এক ভাবে দাঁড়িয়ে আছে। পুরোটাই জ্যামিতির খেলা। সেই যুগ থেকে রয়ে গেছে হাঁটার পথ। যা নাকি বুনে দেওয়া হয়েছে টালির নকশায়। ছোট ছোট পাথরের টালি বসানো অসাধারণ সব জ্যামিতিক প্যাটার্নের ডিজাইন করা।
চমৎকার দৃশ্য। পেছনে সবুজ সমুদ্র, সামনে লাইন দিয়ে করিন্থিয়ান স্তম্ভ।
তারপর সাইদাতেও রোদ ছিল। সুন্দর ক্রুসেডারদের ভাঙা দুর্গ দেখালাম। একেবারে জলের মাঝখান থেকে উঠে গেছে। সরু পাথুরে পথ গেছে স্থলপথে যোগাযোগ স্থাপন করে। বাকিটা সমুদ্রের কোলে। অদ্ভুত সেই সৌন্দর্য। হলদে পাথর আর নীল সবুজ ভূমধ্য সাগর মিলিয়ে এক আশ্চর্য রঙের খেলা বইকি।
লেবানন হল ফলের বাগিচার জন্য বিখ্যাত। ভূমধ্যসাগরীয় এলাকা আঙুর আর লেবু কমলালেবুর বাগিচায় ভরা। ৮৩ কিলোমিটার পথের আশি কিলোমিটারই হয়ত বা ওরকম সুন্দর বাগানে বাগানে ঘেরা। মানুষ এখানে প্রচন্ড পরিমাণে ফল খায়। ফল আর স্যালাডের ওপরেই বেঁচে থাকে এরা। ভাজাভুজি খাওয়ার চল প্রায় নেইই বলা চলে।
রাস্তায় কমলালেবুর অর্চার্ডের পর অর্চার্ড দেখা গেল। সব কিছুর পর চারশো টাকায় প্রায় চারশোটা কমলালেবু কেনা হল।

২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফিরে যাবার আগে প্রাপ্তি হল নতুন বন্ধু। পঁচানব্বই বছরের বুড়ো মিশেল। তার গয়না বানাবার কারখানার পাশ দিয়ে আমরা রোজ হাঁটি। আমরা থাকি মার মিখাইলে। এ এক জায়গা যেখানে অসংখ্য ছোট দোকান, অনেক রেস্তোরাঁ। তরুণ তরুণীরা এখানে প্রচন্ড রাত জেগে হৈ হৈ করে। মদ্যপান করে, খায় দায়। আড্ডা দেয়। আর্টিস্টদের ছোট ছোট দোকান ও আছে। এরকম অনেক দোকানেরই একটি মিশেলের দোকান। রোজ পথে হেঁটে যেতে যেতে রোজ দেখি দুর্দান্ত গয়না বিক্রি হচ্ছে। সোনার মত দেখতে। সোনা নয়, কারণ খোলা অবস্থায় রাখা। রাস্তার ধারে টেবিল পেতে তার ওপর। কিন্তু ভারি ফ্যাশনেবল, হ্যান্ডক্রাফটেড। একদিন ঝোঁক বুঝে দাম জিজ্ঞেস করি থেমে দাঁড়িয়ে। বৃদ্ধ টুপি কোট পরা ভদ্রলোকের মুখে অনাবিল ফোকলা হাসি, তোমরা ভারতীয়? ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া। নাম বল, নাম বল! বলে সাগ্রহে দেখাতে থাকেন তাঁর কাজ।
১৫ ডলার, ১৪ ডলার, ১২ ডলারের বিনিময়ে সোনালি জল করা তামার পাতের ওপর পাথরের মত এবড়োখেবড়ো ছাপছোপ দেওয়া দুল। নিখুঁত তৈরি। প্রফেশনাল লুক।
ভদ্রলোকের কাছে বার বার আসি। তিনিও ভারতীয় বলে আমাদের আদরযত্ন করেন, নাম টুকে রাখেন খাতায়। দোকানটা গিন্নি চালান নাকি, গিন্নিকে দেখা যায়না। একমাত্র ছেলে ক্যানাডায় আছে। ভদ্রলোক বলেন, আগে সোনার ব্যাবসা ছিল, তারপর অবস্থা পড়ে গেল। এখন এইসব করি। আমার বিজনেস পার্টনার দরকার। তাহলে তিন তলা দোকানটা পড়ে পড়ে আছে এটাকে কিছু একটা গতি করা যায়। গতিটা বেচে দেওয়া নয়, আবার নতুন করে ব্যাবসা ফাঁদা। লেবাননের মানুষ এরকমই। ৯৫ বছর বয়সেও কত উদ্যম। একা একা নানা ধরণের যন্ত্রপাতি নিয়ে বসে আমাদের জন্য একটা অন্য আকৃতির দুল বানিয়ে দেন কারণ আমাদের অত বড় দুল চলবে না।
নিজে সব করছেন। আর ফেরার সময়ে আবার হাতে চুমু খেলেন।

২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

প্রচন্ড ট্রাফিক জ্যাম এ-শহরে। সরু সরু রাস্তা চলে গিয়েছ। মুম্বই এ যেমন সমুদ্রের ধারে ধারে মেরিন ড্রাইভ। এখানেও আছে। তাছাড়াও শহরের মাঝে মাঝেই সরু পথে গাড়ির হল্লা, প্যাঁক প্যাঁক হর্ন, বাম্পার টু বাম্পার ঠোকাঠুকি ভিড়। যেখানে সেখানে গাড়ি রেখে সব্বোনাশ করা। সব ভারতের যে কোন শহরেরই মত।
তবে ট্যাক্সি বেশি পথচারী কম। তাই বোধহয় হাঁটতে শুরু করলেই, পথে ট্যাক্সিওয়ালারা থেমে থেমে জিগ্যেস করতে থাকে, কোথায় যাবেন ভাই? আমরা আধ ঘন্টা হাঁটি রোজ। আমাদের পথ হাঁটা পথ। বৃষ্টি না হলে আমরা ট্যাক্সি চাপিই না বিশেষ।
আজ বৃষ্টি পড়ছিল সকালে। তাই ট্যাক্সির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছইলাম। এক বুড়ো দাদু আমাদের তুলে নিল। এক কলিও ইংরেজি বা ফরাসি বলতে পারে না। আরবি ছাড়া কিছু বলতে পারে না। হেব্বি মেজাজি বুড়ো। ফলে পাঁচ ডলার-এর পথ ৭ ডলার নিলেন। কিছুতেই দরাদরি করা গেল না। মাথা নেড়ে বললেন, নো ইংলিশ। আর ফ্রেঞ্চ? একটু আধটু বলতে পারি। সেটাও তিনি বলতে অসম্মত।
আরেকদিন ত আরেক বৃদ্ধ আমাদের থেকে মাথাপিছু মাত্র দু’হাজার পাউন্ড মানে দেড় ডলার প্রায় নিয়ে, সারা বেইরুট ভ্রমণ করিয়ে, ভুল জায়গায় ছেড়ে দিলেন, একেবারে অন্য কোথাও। তাও বিপুল চেঁচামেচি করে। সেখান থেকে তারপর আর ফিরতে পারি না। বেইরুট দর্শন হল বটে, কিন্তু ফেরার জন্য মাশুল গুনতে হল পাঁচ ডলার করে!

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফিরে যেতে হবে। সবচেয়ে বেশি যেটার জন্য দুঃখ হল সেটা শাওয়ারমা। বিশাল আকারের। পথের ধারের দোকানে পাওয়া যায়। বাবা মা ছেলে মিলে দোকান চালায়। বাবা নীচে কফির মেশিন, কাগজের কাপ ও গেলাস নিয়ে ঘুর ঘুর করে। আর ছেলে অর্ডার নিয়ে মাকে দেয়। মা রাঁধে, দোকানের দোতলায়। দোতলা থেকে একতলায় অর্ডারের শাওয়ারমা আসে, একটা ছোট্ট লোহার লিফট বেয়ে। শাওয়ারমায় লম্বা রুটি, তার ভেতরে মাংস কুচি, আর সাদা মেয়নেস সস আর লেটুস পেঁয়াজ লেবু। অসাধারণ খেতে।
তাছাড়া ভাল বেসে ফেলেছিলাম ছোট সবজি-দোকান। যেখানে প্রচুর তাজা কমলালেবু, তাজা আপেল, প্রচুর স্যালাডের উপকরণ পাওয়া যায়। আহা, স্যালাড খাওয়ার স্বর্গ এই জায়গা। কাফেটেরিয়াতে চিকেন সেদ্ধ , আর টমেটো, লেটুস, নানা ধরণের তাজা হার্বের কুচি দিয়ে স্যালাড রাখা থাকে। কিনে ওদের দিতে হয়। ওরা ফ্রেশ মেয়নেজ বা ভিনেগ্রেট সস দিয়ে সেই স্যালাড টস করে দেয়। গ্লাভস পরা হাতে, বড় বোলের মধ্যে।
স্যালাড দিয়েই হাপুস হুপুস করে রুটি খেয়ে নিয়ে, লাঞ্চ শেষ।
বেইরুটে যুদ্ধ ছিল, অশান্তি ছিল। এক সময়ে। এখন আছে পাশের দেশ সিরিয়া থেকে পালিয়ে আসা মানুষ। কিন্তু বেইরুটে ভূমধ্যসাগর আছে। আর আছে কর্মঠ, ব্যবসায়ে দক্ষ লেবানিজরা। সারা পৃথিবীতে লেবানিজ শাওয়ারমাকে ছড়িয়ে দিয়েছে তারা।

ফটোগ্রাফিঃ লেখক

  জয়ঢাকের ভ্রমণ লাইব্রেরি

 

1 Response to ভ্রমণ বেইরুটের গপ্পো যশোধরা রায়চৌধুরী শরৎ ২০১৯

  1. সুদীপ says:

    দারুণ

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s