লেখা ও ছবির খেলা। অক্টো-শার্ক আর তিমির গল্প কিংবা জলবিহারে … লেখা জিষ্ণু, জ্যোতির্ময়। ছবি মহীরূহ। বর্ষা ২০২০

লেখাছবির খেলা–সমস্ত স্টোরিকার্ড একসঙ্গে।এইখানে ক্লিক করো।  ইচ্ছেসুখে ভাগ করে নাও। ছাপিয়ে বন্ধুদের দাও।

একজন খুদে ছবি আঁকবে । সে ছবি নিয়ে গল্প গড়বে একজন বড় আর একজন খুদে। খুদে শিল্পীঃ মহীরূহ।  তার ছবি থেকে গল্প বানাল এক খুদে আর তার বাবা।

অক্টো-শার্ক  আর তিমির গল্প

জিষ্ণু দালাল (খুদে)

দুটো ফ্রেন্ড মিলে একটা বোটে চড়ে বেড়াতে বেরোল | তারপর একটা অক্টো-শার্ক এসে বোটটা attack করল ! অক্টো-শার্ক কি? বলছি ! ওশান-এর নিচে একটা গড ছিল, তার নাম কৃষ্ণা | একবার একটা অক্টোপাস আর একটা শার্ক তাকে attack করেছিল | কৃষ্ণা তখন তাদের ধরে জুড়ে দিয়েছিল | সেইটা হল অক্টো-শার্ক! আচ্ছা, তারপর? অক্টো-শার্ক টা খুব ওয়েভ তুলে বোটটাকে উল্টে দিলো | এমন সময় একটা ফ্রেন্ডলি তিমি মাছ এসে গেল, আর অক্টো-শার্কটাকে খুব জোরে মার দিল |  অক্টোপাস আর শার্ক দুটো আলাদা হয়ে পালিয়ে গেল | তিমি মাছটা তখন ফ্রেন্ড দুটোকে সেভ করে একটা আইল্যান্ডে নিয়ে গেল| দি এন্ড !

জলবিহারে 

জ্যোতির্ময় দালাল (বড়ো)

“ওই যে দূরে ময়নাদ্বীপের চর দেখা যাচ্ছে কত্তা !”

“গ্রেট ! হারি আপ ! বোট নিয়ে এগিয়ে চলো, কুইক !”

“যাবেন বলছেন কত্তা – কিন্তু দেখার মতন কিছুই  আর নেই আজ্ঞে ! ছিল অবিশ্যি,  তবে গেল বছর কী এক মারণ রোগ এল না দেশজুড়ে ?  তাতেই সব মরেহেজে  গেছে | ওই দ্বীপে এখন শুধুই জঙ্গল – বুনো জানোয়ার আর পাখ-পাখালির বাস |”

“জানি | লাস্ট ইয়ারে ওই সময় আমি একবেলার জন্য ক্রিপটন গিয়েছিলাম আমার বার্থ সার্টিফিকেটটা পাওয়া যায় কিনা দেখতে | কারা যেন ইউএসকে এনআরসি নাকি সব এর প্ল্যান দিয়েছে ! তা ফেরার আগেই হয়ে গেল একেবারে ইন্টার-গ্যালাকটিক লকডাউন – তাও পাক্কা এক বছরের জন্য তোমাদের হিসেবে !”

“তা হবে কত্তা, বলতেছেন যখন | তবে সত্যি বলতে কি গাঁ-গঞ্জে খুব বেশি লোকজন মরেনিকো। তবে আমাদের মাছের ব্যবসা-ট্যাবসা  লাটে উঠেছে | গেল বছর রেকর্ড ইলিশ উঠেছিল বর্ষায়, কিন্তু কিনবেটা কে শুনি ? শহর অব্দি তো পৌঁছনোই গেল না !”

“হ্যাঁ হিউস্টনের বাংলাবাজারেও ইলিশের shortage হয়েছে শুনেছিলাম বটে ! এনিওয়ে, আমায় ওই ময়নাদ্বীপে ঝট করে নিয়ে চলো দেখি | আমার সুপার পাওয়ারটা আজকাল সেভ করে রাখছি | যেখানেই  চিপ ট্রান্সপোর্টের অপশন রয়েছে, সেখানেই ফ্রেকুয়েন্ট ফ্লাইং-টা বন্ধ রেখেছি !” “নেহাতই যাবেন কত্তা এই অবেলায় ?”

“হ্যাঁ , ইট ইজ ভেরি আর্জেন্ট কুবের মাঝি ! কাল রাতে একটা মেসেজ ইন্টারসেপ্ট করে জেনেছি যে ওই ময়নাদ্বীপেরই কোনো এক গোপন ল্যাব-এ  প্রফেসর শংকু  মিরাকিউরল-2.0 আবিষ্কার করে ফেলেছেন ! হোয়াটসঅ্যাপে খবরটা লিক হয়ে যাওয়ার আগেই এই বেলা ট্রায়ালটা সেরে ফেলতে হবে রে ভাই -“

লিখিব খেলিব আঁকিব সুখে  সমস্ত লেখা একত্রে

1 Response to লেখা ও ছবির খেলা। অক্টো-শার্ক আর তিমির গল্প কিংবা জলবিহারে … লেখা জিষ্ণু, জ্যোতির্ময়। ছবি মহীরূহ। বর্ষা ২০২০

  1. জগদীশ ঘোষ বলেছেন:

    আঁকা কথা কয়, গল্প ছবি হয়ে ওঠে।
    অপূর্ব সংমিশ্রণ।👌

    Like

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s