কাতুকুতু –কুড়ুল ইত্যাদি–রসিকলাল দাস

পাগল স্যার

বাবলু (স্কুলে নতুন ভর্তি হওয়া ছাত্রকে) তোদের ক্লাসটিচার সুরেনবাবুর কিন্তু মাথায় ছিট আছে। নতুন স্টুডেন্ট দেখলেই খিমচে দেয়। সাবধানে থাকিস।

নতুন ছাত্রঃ হুম। আমি কে জানিস?

বাবলুঃ না তো!

নতুন ছাত্রঃ আমি সুরেনবাবুর ছেলে।

বাবলুঃ আমি কে জানিস?

নতুন ছাত্রঃ না।

বাবলুঃ বেশ বেশ।

টাইম টেবিল

 

-দাদা, রাজধানী কটায় পাস করবে?

-দশটা দশ।

-এখানে স্টপেজ দেয়?

-না।

-জগন্নাথ এক্সপ্রেস?

-নটা তেরো

-এখানে স্টপেজ দেয়?

-হ্যাঁ।এক মিনিট।

-আচ্ছা করোমণ্ডল আজ ঠিক টাইমে ছাড়ছে? মানে ওই সাড়ে বারোটায় তো? তার মানে একখান দিয়ে বারোটা চল্লিশে পাস করবে। লাইন ক্লিয়ার তো?

-হ্যাঁ।

-আর রামপুরহাট প্যাসেঞ্জার?

-দুটো কুড়ি

-বর্ধমান ভায়া মেইন?

-এগারোটা সাতাশ

-ভায়া কর্ড?

-দশটা পঞ্চান্ন। ব্যাপার কী মশাই? এনকোয়ারির জানালা একাই দখল করে পরপর শুধু ট্রেনের টাইম জানতে চাইছেন? যাবেন কোথায়?

-লাইন পেরিয়ে ওপারে বাজারে যাব। কখন লাইন ক্রস করা সেফ হবে তাই জানছিলাম আর কি।

 

সত্য ও কুড়ুল

মাটারমশাইঃ জর্জ ওয়াশিংটন তাঁর বাবার শখের গাছ কুড়ুল দিয়ে কেটে ফেলে সঙ্গেসঙ্গেই বাবাকে সে কথা বলে সত্যিকথাকে স্বীকার করে নেন। তারপর তাঁর বাবা তাকে কোন শাস্তি দিয়েছিলেন কি? কারণসহ ব্যাখ্যা দাও।

ছাত্রঃ না। দেননি। কারণ তখনও জর্জ ওয়াশিংটনের হাতে কুড়ুলটি ছিল।